দেশের এক বড় অংশের পড়ুয়াই উচ্চশিক্ষার জন্য দেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি দেন। গবেষণার স্বার্থে ভারতীয়দের দেশ ছাড়া কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে সরকারের।
2
9
বছর বছর কর্মসূত্রে বিদেশ পাড়ি দেওয়ার পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার জন্য প্রবাসে যাচ্ছেন ভারতীয় পড়ুয়া। এ ভাবে মেধাবীরা দেশ ছাড়া হওয়ায় ভিন দেশে 'মেধা পাচার' হয়ে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয় সরকারি তরফে। বিভিন্ন সমীক্ষায় জানা যায়, ২০২৩ সালে ৯ লক্ষ ৮ হাজার জন পড়ুয়া বিদেশে পাড়ি দেন। ২০২৫-এ সেই সংখ্যা কিছুটা কমে হয় ৬ লক্ষ ২৬ হাজার জন।
3
9
২০২৬ সালে কেন্দ্রীয় সরকার এই 'মেধা পাচার'-এর প্রবণতায় হ্রাস টানতে চালু করা হয় 'প্রাইম মিনিস্টার রিসার্চ চেয়ার' স্কিম বা প্রকল্প (পিএমআরসি)। প্রকল্প চালুর মূল উদ্দেশ্য ছিল, ভারতীয় গবেষক, বিজ্ঞানী এবং কর্মরতদের দেশে ফিরিয়ে এনে দেশের গবেষণা এবং উদ্ভাবন পরিকাঠামো উন্নত করা।
4
9
প্রকল্পটি কেন্দ্রের উচ্চশিক্ষা দপ্তরের তরফে চালু করা হয়েছে। লক্ষ্য, গবেষকদের দেশের শীর্ষ সরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং জাতীয় গবেষণাগরগুলিতে নিয়োগ করা হবে। যাতে বিদেশে না গিয়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে গবেষণা ও উদ্ভাবনে অবদান রাখতে পারেন তাঁরা।
5
9
চলতি বছরের জন্য এই প্রকল্পের আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। আবেদনের শেষ দিন ১৫ জুলাই। আগ্রহীরা pmrc.education.gov.in-এ গিয়ে সমস্ত নথি-সহ আবেদন করতে পারবেন।
6
9
প্রকল্পের মাধ্যমে গবেষকদের জন্য একাধিক সুযোগসুবিধা মিলবে। কোনও গবেষণার কাজ শুরু করার জন্য যেমন এককালীন রিসার্চ গ্র্যান্ট বা আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। তেমনি ফেলোশিপের মেয়াদ অনুযায়ী যাতায়াত-সহ অন্যান্য খাতে আর্থিক সহায়তা করা হবে। গবেষকেরা দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানেই অত্যাধুনিক গবেষণা পরিকাঠামো এবং আধুনিক গবেষণাগার ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। গবেষকেরা শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ স্বীকৃতি এবং নিজস্ব পেশাগত পরিচিতি গড়ে তোলার সুযোগও পাবেন।
7
9
প্রকল্পের মাধ্যমে গবেষকদের জন্য একাধিক সুযোগসুবিধা মিলবে। কোনও গবেষণার কাজ শুরু করার জন্য যেমন এককালীন রিসার্চ গ্র্যান্ট বা আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। তেমনি ফেলোশিপের মেয়াদ অনুযায়ী যাতায়াত-সহ অন্যান্য খাতে আর্থিক সহায়তা করা হবে। গবেষকেরা দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানেই অত্যাধুনিক গবেষণা পরিকাঠামো এবং আধুনিক গবেষণাগার ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। গবেষকেরা শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ স্বীকৃতি এবং নিজস্ব পেশাগত পরিচিতি গড়ে তোলার সুযোগও পাবেন।
8
9
পিএমআরসি প্রকল্পের অধীনে এনআইআরএফ র্যাঙ্কিং তালিকা অনুযায়ী প্রথম সারির ১০০টি সরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গবেষণার সুযোগ পাবেন।
সুযোগ মিলবে এনআইআরএফ তালিকায় থাকা দেশের সেরা ১০০টি ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণার জন্য প্রথম সারিতে থাকা ৫০টি প্রতিষ্ঠানেও।
পিএমআরসি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যাবে ডিপার্টমেন্ট অফ বায়োটেকনোলজি (ডিবিটি), ডিপার্টমেন্ট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ডিএসটি), ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) এবং কাউন্সিল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ (সিএসআইআর)-এর অধীনস্থ বিভিন্ন জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানে।
9
9
ভারতীয় নাগরিকদের পাশাপাশি বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণাগার বা নামী সংস্থায় কর্মরত ভারতীয় বংশোদ্ভূত গবেষক, বিজ্ঞানী, এবং পেশাদাররা এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীদের তিনটি পৃথক বিভাগে ভাগ করা হয়েছে।
মোট তিনটি বিভাগে আগামী পাঁচ বছরে ১২০ জন গবেষককে এই প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হবে। একটি ইয়ং রিসার্চ ফেলো, দ্বিতীয়টি সিনিয়র ফেলো এবং তৃতীয়টি রিসার্চ চেয়ার।