আজকাল ওয়েবডেস্ক: সামশেরগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত ধুলিয়ানে নিজের বাড়ির কাছে পাড়ার বুথে গিয়েও ভোট দিতে পারলেন না সাগরদিঘির বিদায়ী তৃণমূল বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস। বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার একদম শেষ লগ্নে বাড়ির কাছে ধুলিয়ান গান্ধী বিদ্যালয়ে ভোট দিতে যান বায়রন।
অভিযোগ, ভোট দিতে ঢোকার আগে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁকে কমপক্ষে পাঁচবার তল্লাশি করেন। আর এই ঘটনায় 'ক্ষুব্ধ এবং বিরক্ত' সাগরদিঘির বিদায়ী বিধায়ক বায়রন ভোট না দিয়েই সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন এবং একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন।
সাগরদিঘির বিদায়ী বিধায়ক অভিযোগ করেছেন সামশেরগঞ্জের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নূরে আলমকে হারানোর জন্যই পরিকল্পিতভাবে সাধারণ ভোটারদেরকে এবং একজন বিধায়ককে হয়রানি করা হচ্ছে।
ভোট দিতে না পেরে বুথের বাইরে বের হয়ে এসে বায়রন একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন,"ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে ঢোকার পর পাঁচ জায়গায় আমার তল্লাশি করা হয়েছে। অন্য কোনও সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে এটা হয় না, আমার ক্ষেত্রে কেন হল?"
বলেন, "গোটা ধুলিয়ানের মানুষ জানেন আমি একজন বিধায়ক। আমি বিধায়ক জানা সত্ত্বেও কেন আমার সঙ্গে এমন ব্যবহার করা হল আমি জানি না। আসলে তৃণমূল প্রার্থীকে হারানোর জন্য লুটমার চলছে।"বায়রন বলেন, "আমি জানতাম এই ধরনের একটি নাটক হতে পারে, আমি তার জন্য প্রস্তুত ছিলাম। আমি রাজ্য সরকারের দেওয়া 'ওয়াই ক্যাটেগরির' নিরাপত্তারক্ষী পাই। কিন্তু তা সত্ত্বেও কীভাবে আমাকে এতবার তল্লাশি করা হল? আমি কি একজন আতঙ্কবাদী?"
বায়রন বলেন, "যেভাবে সামশেরগঞ্জে ভোট 'লুঠমারি' হয়েছে তাতে আমাদের প্রার্থী হেরে যাবে। আমাকে যেভাবে ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের ভিতর হয়রান করা হয়েছে তার প্রতিবাদে আমি ভোট দিইনি।"















