আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ নির্বাচন প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণভাবে মেটাতে কড়া বার্তা চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের। রবিবার রাতে রিষড়া থানায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে বার্তা দিলেন চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার সুনীল কুমার যাদব। তিনি জানান নির্বাচন প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট বিধি মানতে হবে, সেই অনুযায়ী ছাপ্পা ভোট দেওয়া যাবে না, বুথ জ্যাম করা যাবে না, কোনও ধরনের ভয়–ভীতি দেখানো যাবে না সহ বেশ কয়েকটি নির্দেশ। একই সঙ্গে এলাকায় সুষ্ঠু পরিবেশের লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে নাকা চেকিং চলছে। পাশাপাশি রাম নবমী উপলক্ষে জারি করা হয়েছে কড়া সতর্কতা। সেই মতো কেন্দ্রীয় বাহিনীর সহায়তায় থাকবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে তৎপর চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট। 


এদিকে, নির্বাচনের জন্য কতটা প্রস্তুত তা থানায় থানায় ঘুরে খতিয়ে দেখলেন হুগলি গ্রামীণ পুলিশ সুপার।
 নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে এবারে বিধানসভা ভোট অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করতে হবে। সেই অনুযায়ী রাজ্য প্রশাসনের খোলনলচে পাল্টে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। হুগলি জেলায় প্রশাসনিক রদবদল হয়েছে। 
হুগলি গ্রামীণ পুলিশ সুপার কামনাশিস সেনকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় পুলিশ সুপার করা হয়েছে সানি রাজকে।
 সোমবার পুলিশ সুপার ধনিয়াখালি গুড়াপ দাদপুর পোলবা থানা পরিদর্শনে যান। সঙ্গে ছিলেন জেলা পুলিশের পদস্থ কর্তারা।

 পুলিশ সুপার জানান, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করা আমাদের লক্ষ্য। পুলিশ তৎপর আছে। যে কোনওরকম পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য। কোনও অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। নির্বাচন কমিশনের যে গাইডলাইন আছে হিংসা ছাড়া ভোট করতে হবে। আমরা সেদিকেই নজর রাখছি। আমাদের পুরো পুলিশ প্রস্তুত আছে। আধিকারিকরা প্রস্তুত রয়েছে। কিছু হওয়ার কোনও সুযোগ নেই। যদি হয়ও সেটা আমরা দেখে নেব। নিরপেক্ষতার সঙ্গে যাতে আমরা কাজ করতে পারি সেদিকেই আমাদের নজর রয়েছে। আশা রাখছি কোনও অসুবিধা হবে না।