আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভোটের আবহে আবারও অশান্তির ছবি ধরা পড়ল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সবং বিধানসভা এলাকায়। ফের এক তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের বিরুদ্ধে।

ঘটনায় আহত তৃণমূল কর্মী সুব্রত সেনাপতিকে সবং গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, দশগ্রাম অঞ্চলের গোয়াডাংরি এলাকার ৭২ নম্বর বুথের কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন সুব্রত সেনাপতি ও তাঁর কয়েকজন সঙ্গী।

অভিযোগ, সেই সময় আচমকাই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা সেখানে এসে তাঁদের ওপর হামলা চালান। অভিযোগ, প্রথমে তাঁদের সরে যাওয়ার কথা বলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।

তারপরেই আচমকাই মারধর শুরু করেন জওয়ানরা। এতে গুরুতর জখম হন ওই তৃণমূল কর্মী। তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে সবং গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, বর্তমানে সুব্রত সেনাপতি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভর্তি রয়েছেন। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

যদিও এই অভিযোগ নিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। নির্বাচনের প্রথম দফাতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর এই অভিযোগ দিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে।

">

উল্লেখ্য, এদিন সকালেও বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্বে অশান্তির ছবি উঠে আসে পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং থেকে।

অভিযোগ, ভোট দিতে যাওয়ার সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের হাতে বেধড়ক মারধরের শিকার হয়েছেন এক তৃণমূল কর্মী। জানা গিয়েছে, আহত কর্মীর নাম অনন্ত প্রামাণিক।

জানা গিয়েছে, সবং বিধানসভার আট নম্বর অঞ্চলের সাউতপাড়া এলাকার ১৪৫ নম্বর বুথে ভোট দিতে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় হঠাৎই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাকে আটকায় এবং অভিযোগ অনুযায়ী, কোনও প্ররোচনা ছাড়াই মারধর শুরু করে।

মারধরের ফলে তাঁর পিঠে গুরুতর চোট লাগে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় অনন্ত প্রামাণিককে দ্রুত সবং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বর্তমানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন তিনি।

তৃণমূল প্রার্থী মানস ভুঁইয়ার সঙ্গে দেখা হলে কান্নায় ভেঙে পড়েন ওই তৃণমূল কর্মী। নিজের উপর হওয়া অত্যাচারের কথা জানান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুথ চত্বরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।