আজকাল ওয়েবডেস্ক: কেবল কলকাতা নয়, অসন্তোষের আঁচ জেলাতেও। প্রার্থী পছন্দ হয়নি? ক্ষোভ দেখিয়ে শ্রীরামপুরে জেলা কংগ্রেস পার্টি অফিস চলল ভাঙচুর। দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষের, ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ জেলা অফিসে ভাঙচুরের মধ্যে দিয়ে।
শ্রীরামপুর বিধানসভার কংগ্রেস কর্মীদের অভিযোগ, 'জেলা সভাপতি রাজ্য নেতৃত্বকে ভুল বুঝিয়ে জেলার অধিকাংশ বিধানসভায় অযোগ্যদের মনোনীত করেছে। এর বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদ।'
তাঁদের অভিযোগ, 'সমস্ত দলের প্রার্থী ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পরেও শ্রীরামপুর কেন্দ্র যা এক সময় কংগ্রেসের ঘাঁটি ছিল সেই কেন্দ্রে এখনও প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। এটা কংগ্রেস কর্মীদের কাছে একটা অপমান।' এ দিন জেলা অফিসের বাইরে একজোট হয়ে কংগ্রেস কর্মীরা যুব নেতা সত্যম সিং কে শ্রীরামপুর কেন্দ্রে প্রার্থী করার জোরাল দাবি তোলে। এরপর কংগ্রেস কর্মীরা প্রতিবাদ মিছিল করেন।
যুব কংগ্রেস নেতা সত্যম সিং বলেন, 'অনেক লড়াই সংগ্রাম করে কংগ্রেস দল করি।আমাদের কাছে কংগ্রেস একটা আবেগ।কিন্তু দলের একাংশ এই আবেগ কে নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে।তারই প্রতিবাদ করেছেন কর্মীরা।' যদিও এ বিষয়ে জেলা কংগ্রেস সভাপতি সুব্রত মুখোপাধ্যায় কোনও মন্তব্য করতে চান নি।
অন্যদিকে চাঁপদানীতে কংগ্রেস প্রার্থী নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরেই নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলা ও হিংসার সাক্ষী থাকল প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দপ্তর বিধান ভবন। টিকিট না পাওয়াকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ এমন পর্যায়ে পৌঁছাল যে, কংগ্রেস কর্মীরা একে অপরের বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে লিপ্ত হলেন। রণক্ষেত্রের চেহারা নিল এলাকা, পরিস্থিতি সামাল দিতে নামাতে হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বালিগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী পছন্দ নয়। তাই নিয়ে সেখানকার বেশ কয়েকজন কর্মী বুধবার কংগ্রেস অফিসে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। অসন্তোষ জানাতে দলের রাজ্য সভাপতি শুভঙ্কর সরকার-এর সঙ্গে কথা বলার জন্যও গিয়েছিলেন কয়েকজন কর্মী। সূত্র অনুযায়ী জানা গিয়েছে, এরপরেই শুরু হয় কথা কাটাকাটি এবং সেখান থেকে হাতাহাতি। ঘটনায় এক মহিলা কর্মী-সহ কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। দাসপুরের এক কর্মীর মাথা ফেটে যায়।















