আজকাল ওয়েবডেস্ক: রবিবার ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ্যে আসার পর, সোমবারেই বাম, বিজেপি প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছেন। তারপর থেকেই প্রকাশ্যে আসছে গেরুয়া শিবিরের কোন্দল। আলিপুরদুয়ার জেলা বিজেপি কার্যালয়ে দলীয় কর্মীদের বিক্ষোভ। প্রার্থী পছন্দ না হওয়ায় দলীয় কার্যালয়ে আসবাবপত্র ও চেয়ার টেবিল ভেঙে গুড়িয়ে দেন বিক্ষোভকারীরা। এমনকী জেলা কার্যালয়ের সামনে রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান বিক্ষুব্ধ দলীয় কর্মীরা।
সোমবার আলিপুরদুয়ার বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে পরিতোষ দাস'র নাম ঘোষনা হয়। এর পরেই একদল বিজেপি কর্মীরা প্রার্থী প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। দলীয় কর্মীরা ওই প্রার্থীকে চাইছেন না। অভিযোগ,পরিতোষ দাস তৃনমূলের সেটিং প্রার্থী। দলীয় প্রার্থী নিয়ে প্রকাশ্যে বিক্ষোভ ও জেলা কার্যালয়ে ভাংচুরের ঘটনায় এক প্রকার কোণঠাসা জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। জানাগেছে গতকাল গভীর রাত পর্যন্ত বিজেপির আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি মিঠু দাস'কে জেলা কার্যালয়ে আটক করে রাখেন বিক্ষোভকারীরা।
এই বিষয়ে বিক্ষোভকারী বিজেপি কর্মী রানা দাস বলেন, আমরা পরিতোষ দাস কে চাইনা। এই প্রার্থী বদল না করলে বড় আন্দোলন চলবে। পরিতোষ দাস এর সঙ্গে তৃণমূলের গোপন আতাত রয়েছে। এই আসনে জিতলে উনিও সুমন কাঞ্জিলালের মতো তৃণমূলে যোগ দেবে।
এই বিষয়ে জেলা সভাপতি মিঠু দাস জানান,আমি ঘটনাটি জানি না। বিষয়টি রাজ্য নেতাদের জানাবো। বিজেপি রাজ্য সম্পাদক দীপক বর্মন বলেন, 'বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝির জন্য হয়েছে। এটা সম্পূর্ণ দলীয় অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। দ্রুত সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।'
অন্যদিকে, প্রার্থী নিয়ে রীতিমতো অসন্তোষ মহিষাদলে। মহিষাদলের ২১-এর বিজেপি প্রার্থীর উপরে আর ছাব্বিশের ভোতে আস্থা রাখেনি দল। প্রার্থী নাম ঘোষণা হতেই, ২১-এর প্রার্থী বিশ্বনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সংবাদ মাধ্যমকে তিনি জানান, গেরুয়া শিবির দিনে দিনে কর্পোরেট সংস্থা হয়ে উঠছে। তিনি সেই সংস্থার আর কর্মী হয়ে থাকতে চাইছেন না। প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরেই, নিজের নাম খুঁজে না পেয়েই, নিজের পদত্যাগ পত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন শীর্ষ নেতাদের।
