আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভোটমুখী বাংলায় আজই শহরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন তৃণমূলের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে চার্জশিট প্রকাশ করেছে বিজেপি। যা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেন অমিত শাহ। সেই চার্জশিট প্রকাশের সময়েই মুখ্যমন্ত্রীর মাথায় চোট ও ভাঙা পা নিয়ে মশকরা করেন শাহ। তাঁর দাবি, মাথার ও পায়ের চোট নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি 'ভিকটিম কার্ড' খেলেছিলেন।
শাহের এই মন্তব্যের পরেই গর্জে উঠল রাজ্যের শাসক দল। তৃণমূলের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে জানানো হল, "২০২১ সালে রোডসাইড রোমিওর মতো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে অশ্লীল ইঙ্গিত নিয়ে বলেছিলেন, 'দিদি, ও দিদি'। ২০২৬ সালে একইরকম নারীবিদ্বেষী মন্তব্য করলেন অমিত শাহ। মুখ্যমন্ত্রীর মাথায় চোট ও ভাঙা পা নিয়ে মশকরা বলে বললেন, 'ভিকটিম কার্ড'। এই চোখেই নারীদের দেখে বিজেপি। ঔদ্ধত্যের সঙ্গে চরম অবজ্ঞা করে নারীদের। এটাই ওদের উগ্র জাতীয়তাবাদের গভীরতা। রাজ্যের একজন মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিও সৌজন্যমূলক আচরণ দেখাতে পারে না।"
তৃণমূলের আরও দাবি, "রাজনৈতিকভাবে তারা লড়তে পারে না। তাই নীচুস্তরের আক্রমণ করে। মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যক্তিগত আক্রমণ, তাঁর মর্যাদা ও চরিত্র নিয়ে অপমান করা। নারীবিদ্বেষীদের ও নারী হেনস্থাকারীদের কখনও সহজভাবে নেয়নি বাংলা। বাংলার মেয়ের এই অপমানের জবাব ব্যালট বাক্সে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।"
প্রসঙ্গত, এদিন চার্জশিট প্রকাশ করেই অমিত শাহ বলেন, "এত অনুপ্রবেশকারী ঢুকছে, মমতাজির সরকার কি ঘুমোচ্ছে? আবার বলেন বিএসএফ কী করছে? বিএসএফ তখনই কিছু করতে পারবে, যখন আপনি সীমান্তে জায়গা দেবেন। ফেন্সিং জায়গা দিলে তো হবে। বিজেপি ক্ষমতায় আসার ১৫ দিনের মধ্যে সীমান্ত ঘেরার জন্য প্রয়োজনীয় জমি এ রাজ্যের বিজেপি সরকার কেন্দ্রকে দেবে। মমতা আগে ভিকটিম কার্ড খেলেছিলেন। কখনও পা ভেঙে, কখনও নির্বাচন কমিশনকে গালি দিয়ে। এখন মানুষ বুঝে গেছে। কাউকে গালি দেওয়া বাংলার সংস্কৃতি নয়। অন্য রাজ্যে বিকাশ হয়েছে। এবার বাংলায় হবে বিকাশ।"
তিনি আরও বলেন, "বাংলায় সব আধিকারিক তৃণমূলের ক্যাডার। তাই নির্বাচন কমিশন সরিয়ে দিচ্ছে।
ক্ষমতায় এলে আমরা দেশের বিকশিত রাজ্যগুলির মধ্যে একটি রাজ্য করব। আগে বাংলা শিল্পের হাব ছিল, যেটা এখন নষ্ট। সেই গৌরবকে আমরা ফেরাব। এবারে অনেক কম হিংসা হয়েছে রাম নবমীতে। কারণ নির্বাচন কমিশন মমতার অনেক অফিসারকে সরিয়ে দিয়েছে বলে। উত্তরবঙ্গের জন্য আলাদা প্ল্যান রয়েছে। সংকল্প পত্রে বিস্তারিত থাকবে।"
















