আজকাল ওয়েবডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন শেষ। আগামী ৪ মে ফলাফল প্রকাশ। তার আগে পোলিং এবং কাউন্টিং এজেন্টদের তৎপরতা নিয়ে মুখ খুললেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা বহরমপুর কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী। 

 

শনিবার বহরমপুরে একটি সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, "ভোট বৈতরণী পার করার জন্য কাউন্টিং এজেন্টদের তৎপরতা খুবই জরুরি ,কারণ ভোটদানের দিন অনেক জায়গায় আমাদের এজেন্টকে বুথে বসতে দেওয়া হয়নি। আবার বুথে যাঁরা বসেছিল তাঁদের বাড়িতে গিয়ে তৃণমূলের লোকেরা বাড়ির লোকেদের ভয় দেখিয়েছেন। পরে তাঁরা বুথে এসে বাড়ির সন্তানদের বের করে নিয়ে গেছেন।"

 

তিনি আরও বলেন, "তৃণমূল সরকারের মতো ভোট লুঠের পদ্ধতি আর কেউ জানে বলে আমার জানা নেই। আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের অনেক সমালোচনা করি। কিন্তু বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলো তো ভোট হয়। সেখানে অবাধে ভোট লুঠের ঘটনা ঘটে না। পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল সরকার ভোটের সময় সন্ত্রাস চালিয়ে ভোট লুঠ করে।" 

 

নির্বাচন কমিশনের প্রসঙ্গ তুলে অধীর চৌধুরী বলেন, "এবারে নির্বাচন কমিশন যেভাবে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে আমরা তার বিরোধিতা করেছি। কিন্তু তারা যেভাবে সুষ্ঠভাবে ভোটদানের ব্যবস্থা করেছে তা যথেষ্টই প্রশংসনীয়। ইতিমধ্যেই স্ট্রংরুমে বিভিন্ন ধরনের ক্যামেরা বসানো রয়েছে এবং ২৪ ঘণ্টা সেখানে পর্যবেক্ষণ চলছে। স্ট্রং রুমে থাকা ঘড়ির সঙ্গে সাধারণ মানুষের হাতে থাকা ঘড়ির সময় মিলছে না।এরকম দু একটা ছোটখাটো সমস্যা স্ট্রং রুমে রয়েছে। আমরা সেই অভিযোগ জানিয়েছি।"

 

তিনি বলেন, "পঞ্চায়েত নির্বাচন, পুরসভা নির্বাচনের মতো রাজ্য সরকারের অধীনে যে সমস্ত নির্বাচনগুলো হয় সেখানে মানুষকে ভোট দেওয়ার কোনও সুযোগই দেয় না তৃণমূল সরকার। পুলিশ এবং তৃণমূল কর্মীরা মিলে সন্ত্রাস চালিয়ে সেখানে ভোট লুঠ করে। তবে বিধানসভা এবং লোকসভা নির্বাচনে মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়। বিশেষ করে ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিতে পেরেছেন।"