আজকাল ওয়েবডেস্ক: চণ্ডীতলা থানায় স্মারকলিপি জমা দিতে যাওয়ার সময় ধস্তাধস্তিতে মাথা ফেটেছে শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাসংদ কল্যাণ ব্যানার্জির। এই জন্য বিজেপির কর্মী, সমর্থকদের কাঠগড়ায় তুলেছে ঘাস-ফুল শিবির। পর পর দু'দিন দুই তৃণমূল সাংসদকে নিগ্রহের ঘটনায় রাজনৈতিক টানাপোড়েন তুঙ্গে উঠেছে। তবে, বিজেপি এই 'হামলা'র দায় নেয়নি। উল্টে গেরুয়া শিবিরের দাবি, এইসব তৃণমূল নেতাদের প্রতি তাদের দলেরই একাংশের জনরোষের জেরে  অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে। সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জিকে হেনস্থা কাণ্ডে মুখ খুলেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

কী বলেছেন সুকান্ত মজুমদার?
শ্রীরামপুরের সাংসদের মাতা ফাটার ঘটনায় চাঁচাছোলা মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। তাঁর সফা কথা, "জনতাই কল্যাণের কল্যাণ করে দিচ্ছে।  'শ্রীরামপুরে আয়' বলে উনিই একসময় আমায় চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। আজ দেখুন জনতা তাঁর কী হাল করেছে। সুকান্ত তো বহাল তবিয়তেই ঘুরে বেড়াচ্ছে। 
উনি সংসদে যা নাটক করেন,বাইরে তো করার চেষ্টা করছিলেন।"

তিনিসুকান্ত মজুমদারের দাবি, "সোনারপুরের ঘটনার মত এখানেও তদন্ত করতে হবে। দেখতে হবে তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিষয় কী না।"

উল্লেখ্য, শনিবার জনরোষে আক্রান্ত হয়েছেন অভিষেক ব্যানার্জি। যা নিয়ে স্বতপ্রণোদিত মামলা দায়ের করে পুলিশ। হেনস্তার অভিযোগে এখনও ছ'জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হামলাকারীরা সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক লাভলি মৈত্রের ঘনিষ্ঠ বলে অভিযোগ উঠেছে। কল্যাণ ব্যানার্জিকে হেনস্থার নেপথ্যেও দলেরই একাংশ জড়িত থারতে পারে বলে ইঙ্গিত করেছেন সুকান্ত মজুমদার।

তবে সুকান্ত মজুমদার এও বলেছেন,  "আমরা এই ধরণের যে কোনও হিংসার নিন্দা করি। আমরা এর পক্ষপাতী নই।"

ঘটনার বিবরণ:
তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের গ্রেপ্তারি, আটকের প্রতিবাদে ডেপুটেশন জমা দেওয়ার কর্মসূচি ছিল হুগলির চণ্ডীতলা থানার কাছে। তৃণমূলের সেই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন কল্যাণ ব্যানার্জি। সেখানেই তাঁকে দেখে স্লোগান ওঠে। 'চোর চোর'স্লোগানের পরেই হামলার অভিযোগ। তাঁকে ঘটনাস্থলেই মাঝরাস্তায় লুটিয়ে পড়তে দেখা যায়। তিনি অভিযোগ করেন, বারবার টার্গেট করা হচ্ছে সাংসদদের।