আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ভোটের দিন ঘোষণা হয়ে গিয়েছে বঙ্গে। এবার পশ্চিমবঙ্গে হবে দু’‌দফায় ভোট। ২৩ ও ২৯ এপ্রিল। ফল ঘোষণা ৪ মে। এদিকে, ভোট ঘোষণার একদিন পরেই রাজ্য নির্বাচন কমিশন একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করল। বলা হয়েছে, আধিকারিকরা ঠিকমতো কাজ না করলে প্রয়োজনে ৩১১ নম্বর ধারা জারি করা হবে। বলপূর্বক আইনের ধারা অনুযায়ী কাজ করানোর জন্য।


নির্বাচনের ক্ষেত্রে ত্রিস্তরীয় মনিটরিং হবে। মনিটরিংয়ে মূলত থাকবে রিটার্নিং অফিসার বা RO,  ডিইও, এবং সিইও দাঁড়া মনিটারিং ওয়েব ক্যাস্টিং এর মাধ্যমে।


সাব ডিভিশন লেভেলে কোন গণনা হবে না। যা গণনা হবে জেলা স্তরে।


ভোট পর্যায়ে চলবে ড্রোনের মাধ্যমে মনিটরিং। জানা গেছে, রাজ্যে নির্বাচনের কাজ পরিচালনা করছে এই মুহূর্তে মোট ২৪টি ইনফোর্সমেন্ট এজেন্সিস।


ভোট পর্যায়ে আধিকারিকরা কাজ করবেন তিনটে শিফটের মাধ্যমে।


এছাড়াও কমিশন জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত বেআইনি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ১১২ কোটি টাকা।


৮৫ বছরের ঊর্ধ্বে এবং শারীরিকভাবে অক্ষম যারা রয়েছেন তারা ‘‌12ডি’‌ ফর্ম ফিলাপ করলে তাদের বাড়িতে গিয়ে সম্পূর্ণ গোপনীয়তা রক্ষা করে ভোট গ্রহণ করা হবে।


১৭০ ধারা অনুযায়ী নির্বাচন চলাকালীন কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তি টাকা দিয়ে ভোটারকে প্রভাবিত করতে চাইলে কিংবা ভোটার টাকা নিলে ১ বছর পর্যন্ত জেল এবং জরিমানা হতে পারে।


১৭১ ধারা অনুযায়ী কোনও ভোটারকে ভয় দেখালে বা হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা করলে সেক্ষেত্রেও জেল এবং জরিমানা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।


১৩৫ এ ধারা অনুযায়ী, কোনও কেন্দ্রে যদি অশান্তি বা হিংসা হয় কিংবা ওয়েব কাস্টিংয়ে সন্দেহজনক কিছু ধরা পড়ে তাহলে পুনরায় আবার সেই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে।


তবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছেন প্রতি দফায় ভোট গ্রহণের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রায় ২২০০ থেকে ২৫০০ কোম্পানি থাকবে।


রাজ্যে আগামী ১৯ মার্চ এর মধ্যে প্রতিটি থানা এলাকায় থানার আধিকারিক বা অফিসার ইনচার্জকে রিপোর্ট দিতে হবে যে তার থানা এলাকায় কোন কিছু আগ্নেয়াস্ত্র বা বোম কিংবা গোলাবারুদ সংক্রান্ত কিছু মজুত আছে কিনা। এবং তাকে অবিলম্বে নিষ্ক্রিয় বা পরিষ্কার করতে হবে। পরবর্তীতে যদি কোনওরকম এই ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বা গোলাবারুদ পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


প্রত্যেক পুলিশ জেলায় দু’‌জন করে পুলিশ অবজার্ভার নিয়োগ করা হবে নির্বাচনের ক্ষেত্রে। 


এদিকে, এখনও পর্যন্ত বিচারাধীন তালিকা স্ক্রুটিনি হয়েছে ২০ লক্ষ নাম। তবে যাদের নাম সাপ্লিমেন্ট্রি তালিকায় বাদ যাবে, তারা ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে পারবেন বলেই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর এই তালিকা প্রকাশ হবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী।