আজকাল ওয়েবডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরেই, তৃণমূল নিয়ে গুঞ্জনের শেষ নেই বঙ্গ রাজনীতিতে। জল্পনা এও ছিল, তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব এবার দল বাঁচাতে হাত ধরতে পারে কংগ্রেসের। যদিও সেসব জল্পনার পাশে সিলমোহর পড়েনি। তবে শুক্রবার ্সকাল থেকে জল্পনা ছিল, তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে, কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন উত্তরবঙ্গের এক নেতা, সঙ্গে আরও কয়েকজন। 

শুক্রবার বিধান ভবনে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের হাত ধরেই কংগ্রেস যোগ দেওয়ার কথা ছিল, মেখলিগঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যান প্রভাত পাটনির। 

কংগ্রেস সূত্রে খবর, শুভঙ্কর সরকার, দেবপ্রসাদ রায়, বিশ্বজিৎ সরকারের উপস্থিতিতে, প্রভাত পাটনি-সহ ৬ জন, মূলত ৯ সদস্যের পুরসভার, ৬জন জাতীয় কংগ্রেসের যোগ দেন। 

 

এক সময়, কংগ্রেস থেকে বেরিয়েই তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি করেছিলেন মমতা। তাঁর দল, প্রায় তিন দশকের মাথায় ছন্নছাড়া, বিপর্যস্ত। এই সময়ে হাত কি হাত ধরবে কংগ্রেসের? এই প্রশ্ন ঘুরছে রাজনীতির অলিন্দে। সেই প্রসঙ্গেই আজকাল ডট ইন যোগাযোগ করেছিল বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্যের সঙ্গে। তিনি মমতার কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসা প্রসঙ্গে বলেন, 'সিপিএম-এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে ভাল কথা। আমরা সংঘবদ্ধভাবে, মানে- সোমেন মিত্র, আমি, মমতা ব্যানার্জি, সবাই মিলেই লড়াই জারি রেখেছিলাম । দেশ তো চলছিল। হঠাৎ করে উনি বললেন যে বিজেপিকে সঙ্গে নিতে হবে। নইলে সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়াই হবে না। স্বাভাবিকভাবেই কংগ্রেসের সঙ্গে রাজনীতিতে বিজেপির  আদর্শের পার্থক্য এতটাই বেশি, আমাদের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব ছিল না। মমতা হাতে ধরে বিজেপিকে নিয়ে এলেন। এখন সেই বিজেপি ওঁর ঘর ভাঙল। বৃত্ত সম্পূর্ণ হওয়ার মতো।'

 

আর বর্তমান পরিস্থিতি, জল্পনা প্রসঙ্গে বলেন, ' 'এখন শুনছি তৃণমূলের সাংসদরাও কিছু উলটো সুর গাইছে। তা যদি হয়, তাহলে জাতীয় স্তরেও গুরুত্ব কমবে মমতার। এমনিতেও কংগ্রেস এই পরিস্থিতিতে হাত ধরে সাহায্য করলে, হাত যেদিন শক্ত হবে, সেদিন আবার ছেড়ে যাবেন তিনি।'