আজকাল ওয়েবডেস্ক: ঠিক ২৪ ঘণ্টা আগে, সাংবাদিক বৈঠক করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তাঁর টিমে ৫৮ জন, আরও যুক্ত হবেন দু'জন। সঙ্গেই বলেছিলেন, মমতা ব্যানার্জিকে প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে চান তিনি। ২৪ ঘণ্টা পেরিয়েছে। তার মাঝেই কিছু গুঞ্জনও শুরু হয়েছে।
এক পক্ষের খবর, বিক্ষুব্ধদের ফোন করছেন মমতা, এক পক্ষের দাবি, কালীঘাটে ফোন যাচ্ছে মুহুর্মুহু। এসবের মাঝেই বৃহস্পতিবার জল্পনা বাড়ল, ঋতব্রতর হাত ধরা বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের মধ্যেই নাকি আবার নতুন করে বিদ্রোহের স্ফুলিঙ্গ। কারণ! কারণ, তাঁদের সাফ দাবি, তাঁরা তৃণমূল কংগ্রেস করেন, মমতা ব্যানার্জির জন্য। তাঁর মুখ চেয়ে। মমতা ব্যানার্জি প্রধান পরামর্শদাতা হবে আবার কী! তিনিই তো দলনেত্রী। তিনি সব, সেটা ভেবেই নাকি সই করেছিলেন তাঁরা।
উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক ইটাহারের বিধায়কের কথা। তিনি সংবাদ মাধ্যমে সাফ জানিয়েছেন, কোনও পরিস্থিতিতেই তিনি ছাড়বেন না 'দিদি'র হাত। এক বিধায়কের বক্তব্য, আমরা নেত্রী হিসেবে মমতা ব্যানার্জিকে চাই, তাঁর নেতৃত্বেই আমরা তৃণমূল কংগ্রেস করি।
বৃহস্পতিবার প্রথম পরিষদীয় বৈঠকে বসে টিম ঋতব্রত। তার পরেই মোশারফ হোসেন সাফ জানান, মমতা ব্যান্ররজি দলনেত্রী, সে কথা হয়েছিল বলেই তাঁরা এসেছেন এই টিম ঋতব্রততে। যদি এর অন্যথা 'আমরা মমতা ব্যানার্জিকে উপদেষ্টা নয়, তিনি নেত্রী। তিনি নেত্রী হিসেবে থাকলেই আমরা থাকব। অন্যথায় আমরা থাকব না।' সঙ্গেই তিনি জানান, 'আমরা তিনবার ওখানে গিয়েছি। আমরা সই করে দিয়েছি এসেছি প্রায় ৬৮-৬৯ জন। দলের ভুলের খেসারত দিতে হচ্ছে।' কিন্তু 'দিদি' ছাড়া যে দল ভাবছেন না, স্পষ্ট করেছেন এদিন।















