আজকাল ওয়েবডেস্ক: মঙ্গলবার মমতা ব্যানার্জি ধর্নায় বসেছিলেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন নয়না ব্যানার্জি, কুণাল ঘোষ, ফিরহাদ হাকিম। বুধবার তিন জেলা নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারির প্রশাসনিক বৈঠক। সেই বৈঠকে হাজির হলেন, আরও একাধিক বিধায়কের সঙ্গেই, নয়না-কুণাল-ফিরহাদ। তাঁদের উপস্থিতি থেকে ফের উঠে আসছে কাকলি ইস্যু। শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তিনি বলেছিলেন, নেহাত প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির হয়েছেন। ঠিক তার পর থেকেই একে একে দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভের প্রকাশ ঘটিয়েছেন। প্রশ্ন, এই বৈঠকের পরে কি তাঁরা
রাজ্য রাজনীতিতে এমনিতেই চূড়ান্ত রাজনৈতিক ভূমিকম্প। নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর এখনও এক মাসও কাটেনি, তার মধ্যেই কার্যত তছনছ হয়ে গেল তৃণমূল কংগ্রেস। খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে রাজ্য বিধানসভার ভেতরেই তৈরি হয়ে যাওয়ার মুখে। কদিন ধরেই জল্পনা, আত্মপ্রকাশ করবে 'আসল তৃণমূল'। এই নতুন ব্লকের হাত ধরেই বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেন সদ্য বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রত ব্যানার্জি। তাঁর এই নতুন দলে উপ-দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন শিউলি সাহা, জাভেদ খান এবং সন্দীপন সাহা। বুধবার রাজ্য রাজনীতিতে এক নজিরবিহীন নাটকীয়তার সাক্ষী থাকল বিধানসভা, যেখানে ৫৮ জন বিধায়কের সই করা চিঠি নিয়ে সটান ভেতরে প্রবেশ করেন ঋতব্রত ব্যানার্জি।
এই বেনজির ভাঙন এবং ফাটলের নেপথ্যে রয়েছে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সই জালিয়াতির এক মারাত্মক অভিযোগ। তৃণমূলের অন্দরে এই সই নিয়ে বিতর্ক এতটাই চরমে পৌঁছায় যে, ঘটনার তদন্তে নামতে হয় সিআইডি-কে। দলেরই দুই বিধায়ক— সন্দীপন সাহা এবং ঋতব্রত ব্যানার্জি স্বয়ং স্পিকারের কাছে গিয়ে অভিযোগ করেছিলেন যে, তাঁদের সই জাল করা হয়েছে। এই ঘটনার পরই দলবিরোধী কাজের অভিযোগে তড়িঘড়ি এই দুজনকে বহিষ্কার করে তৃণমূল নেতৃত্ব। কিন্তু সেই বহিষ্কারের সিদ্ধান্তই যে বুমেরাং হয়ে কালীঘাটের নিয়ন্ত্রণকে এভাবে চ্যালেঞ্জ করবে, তা হয়তো অনেকেই আন্দাজ করতে পারেননি।
একদিকে যখন সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়করা বিধানসভায় গিয়ে সই করেছেন, বিরোধী দলনেতার নাম বাছাই করেছেন, ঠিক সেদিনই, ২৪ ঘণ্টা আগেও মমতা ব্যানার্জির পাশে থাকা কয়েকজন বিধায়ক, হাজির হলেন শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে।















