আজকাল ওয়েবডেস্ক: আজই আদালত জানিয়েছে, ঋতব্রত ব্যানার্জিই বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। অর্থাৎ মমতার তৃণমূলের মামলা গুরুত্ব পেল না আদালতে৷ ঠিক একই দিনে, কয়েকঘণ্টা পরে বিরাট দাবি 'মমতার  সৈনিক' কুণাল ঘোষের। তাতে তিনি যা বললেন, তাতে কার্যত প্রশ্ন উঠল ঋতব্রত ব্যানার্জির 'সংখ্যাগরিষ্ঠ' বিধায়কদের নিয়েই। বৃহস্পতিবার, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ, অশোক দেব, মদন মিত্র-সহ কয়েকজন বিধায়ক একাধিক ইস্যু নিয়ে দেখা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে। 

তারপরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তাঁরা। সেখানেই কুণাল ঘোষ দাবী করেন, 'আমরা মাথা উঁচু করে তৃণমূল করি। আমরা জানি, অনেকেই চাপে গিয়েছেন, যাঁরা বিধায়ক, যাঁরা ওদিকে সই করেছেন বা দু'জায়গায় সই করে আইনি ফাঁদে পড়ে গিয়েছেন, সেই আইনের কী হবে, সেটা আমরা দেখছি।' একইসঙ্গে তিনি বলেন, 'তাঁরা সবাই মনের ইচ্ছায় যাননি।' কুণালের দাবি, বিদ্রোহী শিবিরে যাঁরা নাম লিখিয়েছেন, তাঁদের অনেকেই মমতাপন্থী বিধায়কদের  সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। 

কুণালের বিরাট দাবি, 'এঁরা অধিকাংশ মন থেকে ওদিকে নেই। কার্যত ৯০-৯৫ শতাংশ মন থেকে ওদিকে নেই। আজকেও কয়েকজন কথা বললেন। তাঁদেরকে ভয় দেখানো হচ্ছে, আমাদের সঙ্গে থাকলে পুলিশ বা এসব বিষয় আমরা সব সামলে নেব। আমরা শুধু সেই বিধায়কদের বলব, আপনারা অনেকেই এলাকায় ঢুকতে পারছেন না, গদ্দার-বেইমান বলছেন। কেন শুনবেন?'

কুণাল এদিন, তাঁদের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্যমূলক-বৈঠকের উদাহরণ দিয়ে বলেন, 'যেসব বিধায়করা অনেক মনের কষ্ট নিয়ে ওইদিকে আছেন, তাঁরা ভেবে দেখুন, মাথা উঁচু করে বিরোধী দলে থাকবেন, আবার সরকারের সঙ্গে প্রশাসনিক বিষয়ে, আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে, সমস্যার বিষয়ে উন্নয়নের বিষয়ে যোগাযোগ রাখবেন নাকি এলাকায় মুখ  দেখাতে না পেরে, ওদিকে ঘুরে বেড়াবেন। '

এদিন একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, তা স্পষ্ট করেছেন কুণাল ঘোষ, শোভনদেব চট্টটোপাধ্যায়। তবে মমতা ব্যানার্জির পিএসও সংক্রান্ত কোনও আলোচনা হল কি? সে বিষয়ে যদিও মুখ খুলতে চাননি তাঁরা।