রিয়া পাত্র
সোনারপুরে গিয়েছিলেন অভিষেক। পরপর ডিম ছোড়া হয় তাঁকে লক্ষ্য করে। কালীঘাটে মমতার বাড়ির সামনে কুণাল। লক্ষ্য করে ডিম। মহুয়া মৈত্র উপরে, নীচ থেকে বহু মানুষ তাঁকে লক্ষ্য করে টানা ছুঁড়ল ডিম। রাজ্যের নানা প্রান্তে, সম্প্রতি, একাধিক তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়েছে। বিজেপি নেতারা অনেকেই বলছেন, ডিম ছোড়া তাঁদের সংস্কৃতি নয়। ঘটনাটিকে, তৃণমূলের উপর মানুষের জনরোষ বলেছেন অনেকেই। যদি তাই হয়, যদি ডিম ছোড়া তৃণমূলের উপর জনরোষের প্রকাশ হয়, তাহলে কেন মীনাক্ষীর গাড়িতে পরপর ডিম-বৃষ্টি। মঙ্গলে বাম নেত্রী হামলার মুখে পড়তেই গর্জে উঠলেন এসএফআই-এর সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।
আজকাল ডট ইন-কে সৃজন জানান, 'বিজেপির নেতাতো বলতে শুরু করেছেন, দিলীপ ঘোষ দেখলাম বলেছেন যে, এখন ডিম ছোড়া হচ্ছে এরপরে ইট ছোড়া হবে। সুতরাং এই যে বাহিনী, এদের কাজ হচ্ছে মূলত যেকোনও বিরুদ্ধ মতকে ধমকে চমকে ভয় দেখিয়ে রাখা। তৃণমূলের ওপর জনরোষ, এটা বিজেপির কাছে বাহানা। তৃণমূলের ওপর জনরোষ যদি থাকে, তাহলে ২ কোটি টাকা চুরি করা কাউন্সিলর ডিম খাচ্ছেন, আর ২০০ কোটি টাকা চুরি করা এমপি, তিনি বিজেপির সঙ্গে সেটিং করে এনডিএ-তে ভিড়ে যাচ্ছেন। তৃণমূলের ওপর মানুষের যে ক্ষোভ, সেটা কি তাহলে বিজেপি সঠিক বিচার দিচ্ছে? দিচ্ছে না। তাহলে যারা তৃণমূলের যারা জনগণের টাকা চুরি করেছে, তারা তাদের শাস্তি এবং জনগণের টাকা ফেরত যাওয়া আইনের পথ বেয়ে হওয়া উচিত। তা না করে আইন কানুনের পথে না এগিয়ে এই যে একটা ডিম ছোড়ার কালচার চালু হয়েছে, এটা অচিরে ইট ছোড়ার কালচারে রূপান্তরিত হবে।'
তিনি আরও বলেন, 'এটা আসলে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূলকে অজুহাত হিসেবে খাড়া করে আসলে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত বিরুদ্ধ মত, সমস্ত মানুষ যাঁরা, বিজেপির বাইরে গিয়ে অন্যভাবে ভাবতে চান, তাঁদেরকে দমন করার চেষ্টা হবে। এবং সেটাই চালু হচ্ছে। গুণ্ডা দমন আইন থেকে গণপিটুনি কালচার। এখান থেকে মুক্তির জন্য মানুষকে একজোট হতে হবে। আমরা বামপন্থীরা এতে ভয় পাব না।'















