মিল্টন সেন, হগলি: হুগলি থেকে ফের একবার বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জি। তিনি এদিন বলেন, মানুষের অধিকার এরা কেড়ে নিয়েছে ১০০ দিনের রোজগারের টাকা কেড়ে নিয়েছে পেটে লাথি মেরেছে।মানুষ সব বোঝে রথ চালিয়ে কিছু হবে না। এটা কেন্দ্র সরকার পশ্চিমবঙ্গকে পাঁচ বছর ধরে বঞ্চনা করে গেল।বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করেছে।আর শেষকালে এসে বাংলার মানুষকে রাস্তায় নামিয়েছে।
এসআইআরের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা নিয়েও তিনি ছিলেন সরব। তিনি বলেন, বহু প্রবীণ মানুষের নাম বাদ গেছে। এখন একটাই কাজ করতে হবে যাদের নাম বাদ গেছে তাদের ফর্ম ৬ পূরণ করে তাড়াতাড়ি জমা দিতে হবে।আমরা সব নাম জোগাড় করে সুপ্রিম কোর্টে দেব।সুপ্রিম কোর্ট বলেছে আমরা দেখছি। নির্বাচন কমিশন কতগুলো বাদ দেয় সেটাও দেখতে হবে। তার থেকেও বড় কথা হলো,একুশে ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিল।জজ সাহেবদের নিয়োগ করল এসআইআরের কাজে।
তিনি আরও বলেন, অ্যাড জুডিকেশন এর জন্য কোনও প্রশিক্ষণের দরকার আছে বলে আমি মনে করি না।কারণ জজ সাহেবরা বিচার করবেন যে নথি বা তথ্য দেওয়া হচ্ছে সেগুলো সঠিক না ভুল।এই বিচারটাই এখন দেরি হয়ে যাচ্ছে।এই বিচারটা করতে করতেই সাত থেকে দশ দিন দেরি হয়ে গেল।এই বিচারটাই তো তাড়াতাড়ি করতে হবে।এই যে ৬০ লক্ষ লোকের সংবিধানিক অধিকার সেটা লঙ্ঘিত হচ্ছে।গণতন্ত্রের আসল কথাই তো নির্বাচন। এখানে ভোটার যদি না থাকে তাহলে কি হবে।ভোটারদের অধিকারকে সাসপেন্ড করে রাখা হয়েছে।সেই সাংবিধানিক অধিকারটা ক্ষুন্ন হচ্ছে। যে জায়গায় জজ সাহেবরা কাজ করছেন খুব দ্রুত এগুলো নিষ্পত্তি করতে হবে।না হলে এটা বলছি সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে।
শেষে তিনি বলেন, জেলা জজ এ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট জজ বা যারা আরও নিচে আছেন তারা এই প্রথম সাংবিধানিক অধিকার নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী করতে হলে এটাকে তাড়াতাড়ি করতে হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনী আসুক আমাদের কিছু যায় আসে না।ওদের অনেক কিছু আছে মমতার সাথে জনতা আছে।
