আজকাল ওয়েবডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে নির্ধারিত দিনেই আগামী ২৮শে ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা হচ্ছে প্রকাশ। এমনটাই জানিয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনে আধিকারিক দপ্তর। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টও এই নির্দেশই দিয়েছে।

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক দপ্তর জানিয়েছে, ভোটারদের নথি ও তথ্য নিয়ে যাচাই নিয়ে মূলত ইআরও এবং এইআরও আধিকারিকদের সঙ্গে মাইক্রো অবজার্ভারের মতবিরোধের কারণে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি তালিকায় এক কোটি ২০ লক্ষ ভোটারের তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তবে আগামীকাল এই নিয়ে বৈঠক হবে এবং সেখানেই সিদ্ধান্ত হবে যে সেই সংখ্যাটি কী পরিমান থাকবে। এই  বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল, রাজ্যের মুখ্য সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযূষ পান্ডে। মূলত এই সকল আধিকারিকদের উপস্থিতিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে আগামীতে কত সংখ্যক ভোটারদের কীভাবে, কোথায়, কতজন, বিচারক কিংবা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে শুনানি সম্পন্ন হবে। এই সবটাই শনিবার বৈঠকের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সবটাই হচ্ছে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক দপ্তর স্পষ্ট জানিয়েছে, ইআরও এবং এইআরও আধিকারিকদের ভুল সিদ্ধান্ত কিংবা গড়িমসি ও গাফিলতির কারণে ই-ভোটারদের নথি (কম্পিউটারে আপলোড) তালিকা ভুক্ত করতে গিয়ে বড় আকারের ভুল হয়েছে। সেই কারণেই এক বিরাট গোলযোগ তৈরি হয়েছে। 

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হওয়ার পাশাপাশি শনিবার পর্যন্ত ইআরও এবং এইআরও আধিকারিকরা তাঁদের কাজ সম্পূর্ণ করবেন। শনিবার ২১ তারিখ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হলে তারপর তা যাচাই করবে জেলা প্রশাসন অর্থাৎ ডিইও আধিকারিকরা। আর এই ঝাড়াই বাছাই সম্পন্ন করতে হবে আগামী দু’দিনের মধ্যে। তারপর সেই তালিকা চলে যাবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক দপ্তরে। সেখান থেকে যাচাই করে আগামী ২৫ তারিখ এর মধ্যে তা পাঠিয়ে দিতে হবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে। সেখানে সমস্তটা পর্যবেক্ষণ করে নির্ধারিত সময়ে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হবে বলেই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।