আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাজ্যে তীব্র গরমের দাপট! জেলাগুলিতে বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ। নাজেহাল দশা পড়ুয়াদের। এ জন্য সরকার এবং সরকার পোষিত স্কুলগুলিতে গরমের ছুটির মেয়াদ কিছুটা বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু গরমের দাপট আরও বাড়তে থাকায় নতুন করে নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দপ্তর।
স্কুল শিক্ষা দপ্তরের নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই সরকারি স্কুলগুলিতে গরমের ছুটি শেষ হয়েছে। তবে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তীব্র তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি বজায় রয়েছে। গোটা জুন মাস জুড়েই এই পরিস্থিতি বজায় থাকবে বলেই খবর। তাই গরমের ছুটি আর না বাড়িয়ে জেলার স্কুলগুলিতে ক্লাসের সময় পরিবর্তন করে সকালেই ক্লাস করানো যেতে পারে বলে নির্দেশ শিক্ষা দপ্তরের। গরমের কারণে যাতে পড়ুয়াদের পড়াশোনা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তার জন্যই এই সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়েছে।
স্কুল শিক্ষা দপ্তরের তরফে সমস্ত জেলা পরিদর্শক জানানো হয়েছে, আগামী দু’সপ্তাহে আবহাওয়ার পরিস্থিতি বুঝে স্কুলের সময়ের পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে অনুমতি দেওয়া যাবে। সংশ্লিষ্ট স্কুলগুলিই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। নির্দেশিকায় কোনও বিশেষ জেলার নাম উল্লেখ করা হয়নি। তবে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলাগুলিতে সমস্যা হতে পারে বলে মনে করছে স্কুল শিক্ষা দপ্তর। তবে নির্দেশিকা পাহাড়ি এলাকার স্কুলগুলির ক্ষেত্রে কার্যকর হবে না বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই জেলা পরিদর্শকদের এই নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।
গরমের ছুটির বদলে স্কুলের সময় পরিবর্তন করাকে স্বাগত জানিয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। এতে পড়ুয়াদের পঠনপাঠনে প্রভাব পড়বে না। তবে একইসঙ্গে ইন্টিগ্রেটেড স্কুলগুলির ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যা তৈরি হতে পারে। কী করে সকালে একই সময়ের মধ্যে প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকের ক্লাসের আয়োজন করা যাবে, তা নিয়ে ধন্দ তৈরি হয়েছে। তবে সে ক্ষেত্রে জেলা স্কুল পরিদর্শকদের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
উল্লেখ্য, এ বছর প্রথমে স্কুল ক্যালেন্ডার মেনে ত ১১ মে থেকে ১৬ মে পর্যন্ত গরমের ছুটি ঘোষণা করা হয়। পরে সেই সময়সীমা বাড়িয়ে করা হয় ৩১ মে। স্কুলে ক্লাস শুরু হয় ১ জুন থেকে।















