আজকাল ওয়েবডেস্ক: সামনেই দুর্গাপুজো, ব্যস্ততা তুঙ্গে প্রশাসনিক মহলে। এই বার শারদ উৎসবে মহিলা নিরাপত্তায় জোর। হুগলি জেলায় তৎপর চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট। দুর্গাপুজোয় মহিলা নিরাপত্তায় জেলা জুড়ে কাজ করবে অপরাজিতা টাস্ক ফোর্স। পিঙ্ক মোবাইলে থাকবে পুলিশ। রবিবার সন্ধ্যায় পুজোর অনুদান বিলি অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেছেন চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার অমিত পি জাভালভি। রিষড়ার রবীন্দ্রভবনে আয়োজিত হয় এক অনুষ্ঠান। সেখানে একাধিক পুজো কমিটির হাতে চেক তুলে দেওয়া হয় এদিন।
রিষড়া, শ্রীরামপুর ও বৈদ্যবাটি পুর এলাকার ছোট বড় মিলিয়ে পুজো হয় প্রচুর। এদিন মোট ৩৮০ টি পুজো কমিটির হাতে সরকারি অনুদান হিসেবে ৮৫ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চন্দনগর পুলিশ প্রশাসন ও পুরসভার প্রতিনিধিরা। পাশাপাশি এদিন রিষড়া থেকে বৈদ্যবাটি পর্যন্ত দুর্গাপুজোর গাইড ম্যাপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। ছিলেন চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার অমিত পি জাভালভি, ডিসিপি শ্রীরামপুর অর্ণব বিশ্বাস, চাপদানির বিধায়ক অরিন্দম গুঁইন এবং রিষড়া ও বৈদ্যবাটি পুরসভার পুরপ্রধান ও কাউন্সিলররা।
অনুষ্ঠানে পুলিশ কমিশনার বলেন, পুজোর সময় মহিলাদের সুরক্ষার্থে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে অপরাজিতা টাস্ক ফোর্স কাজ করবে। শ্রীরামপুর ও চুঁচুড়ায় দুর্গাপুজোয় ভিড় হয় খুব।সেখানে পিঙ্ক মোবাইল পুলিশ ফোর্স থাকবে। তাঁরা কাজ করবে শুধুমাত্র নারী নিরাপত্তায়। চুরি, ছিনতাই ঠেকাতে সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। থাকছে একাধিক পুলিশ অ্যাসিস্ট্যান্ট বুথ। পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরার নজরদারিও থাকবে সর্বত্র।
এবারে অনেকে পুজো অনুদান নিচ্ছেন না। সেই প্রসঙ্গে চাঁপদানি বিধায়ক অরিন্দম গুঁইন জানান, যারা অনুদান নিচ্ছেন না সেটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। তবে যারা অনুদান পান না এবং যারা পরে মত বদলে নিতে চান আগামিদিনে সেই কমিটিগুলো আবেদন করলে তখন সরকার দিলে তারাও অনুদান পাবেন।
