আজকাল ওয়েবডেস্ক: রায়দিঘিতে রাতভর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে একটি কাঠের মিল। প্রায় তিন কোটি টাকার কাঠ পুড়ে ছাই আগুনে। আগুনের লেলিহান শিখা বহু দূর থেকে দেখা গিয়েছে। 

 

জানা গিয়েছে, রাতে দোকান বন্ধ করে চলে যান মিলের মালিক অমূল্য গায়েন। তারপর রাতেই কোনওভাবে হঠাৎ আগুন লেগে যায় মিলটিতে। যদিও শর্ট সার্কিট থেকেই এই আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

 

ঘটনার খবর পেয়ে আশপাশের ব্যাবসায়ী থেকে শুরু করে স্থানীয় মানুষজন ছুটে আসেন। তাঁরাই প্রথমে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে খবর দেওয়া হয় দমকলে। জয়নগর থেকে দমকলের দু’টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে।

 

এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। প্রায় তিন কোটি টাকার সামগ্রী পুড়ে নষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন মিলের মালিক অমূল্যবাবু। টানা প্রায় সাত ঘন্টার চেষ্টায় ভোররাতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কী কারণে আগুন লেগেছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

 

গত মাসেই এই জেলায় আবারও বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড ঘটেছিল। লক্ষীকান্তপুরের বিজয়গঞ্জ বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকাজুড়ে। মঙ্গলবার গভীর রাতে হঠাৎই বাজারের একটি অংশে আগুন দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে একাধিক দোকানে। আতঙ্কিত ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা তড়িঘড়ি দমকলকে খবর দেন। 

 

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ২ ইঞ্জিন। প্রায় কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। বেশ কয়েকটি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়। পুড়ে নষ্ট হয় দোকানের ভেতরে থাকা মালপত্র। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত।

 

ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মন্দির বাজার থানার পুলিশও। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল যে অনেকেই দোকান থেকে কিছুই বের করতে পারেননি। বহু ব্যবসায়ীর বছরের সঞ্চিত পুঁজি মুহূর্তে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

 

প্রাথমিকভাবে কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে সঠিক ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে মন্দির বাজার থানার পুলিশ। দমকলও নিজস্ব রিপোর্ট প্রস্তুত করছে।