আজকাল ওয়েবডেস্ক: আগামী বৃহস্পতিবার পুরী থেকে সাগরদ্বীপের মাঝে ল্যান্ডফল করার সম্ভাবনা রয়েছে ঘূর্ণিঝড় ডানার। তার আগে থেকেই একাধিক সতর্কতা নিয়েছে রাজ্য। ঝড় আছড়ে পড়ার আগে এবার সাংবাদিক সম্মেলন করে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। জানিয়ে দিলেন, ঝড়ের আগে আগাম সতর্কতা নিচ্ছে রাজ্য। ডানা বিশেষ করে প্রভাব ফেলতে পারে রাজ্যের নয় জেলায়। সে কারণে বুধবার থেকে শনিবার নয় জেলার স্কুল বন্ধ রাখা হচ্ছে। পঠনপাঠন বন্ধ রাখা হবে কলেজেও। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘জেলায় জেলায় আমরা কন্ট্রোল রুম খুলেছি ইতিমধ্যেই। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও তৎপর রয়েছে। আমরা মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতেও নিষেধ করেছি’।
ইতিমধ্যেই জেলার সমস্ত মন্ত্রীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে কোনও মন্ত্রী না থাকার কারণে সেখানে অবজারভার পাঠানো হয়েছে প্রশাসনের তরফে। উপকূলবর্তী এলাকায় যাদের বাড়ি তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে আসারও ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কাতেই বন্ধ রাখা হচ্ছে স্কুল এবং কলেজও। উপকূলবর্তী এলাকায় ফেরি চলাচল বন্ধ। পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুত রাখা হয়েছে ইতিমধ্যেই। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘এই ঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর।
কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামেও খুব বেশি প্রভাব পড়তে পারে। মুখ্যসচিব রাস্তায় ম্যানেজমেন্ট থেকে শুরু করে কলকাতা কর্পোরেশন, লাইট ডিপার্টমেন্ট, উপকূলরক্ষী বাহিনী, সেনা, এনডিআরএফ সবাইকে মিয়ে বৈঠক করেছেন’। উল্লেখ্য, ওড়িশাতেও গঞ্জাম, পুরী, জগৎসিংহপুর, কেওনঝড়, বালেশ্বর, ময়ূরভঞ্জ এলাকায় দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রশাসনের তরফ থেকে হেল্পলাইন নম্বর খোলা হয়েছে, জেলায় জেলায় চলছে মাইকিং। সেখানেও ২৩ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর তিনদিন বন্ধ রাখা হয়েছে স্কুল।
















