আজকাল ওয়েবডেস্ক: শুক্রবারের ধর্নামঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়, রাজীব কুমার এবং আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী। বিকেল ৪টের সময় মঞ্চে বক্তৃতা রাখেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জি। কল্যাণের বক্তৃতার পরেই তৃণমূলের রাজ্যসভার প্রার্থী মেনকাকে কিছু বলার অনুরোধ করেন মমতা। মঞ্চে আইনজীবী মেনকা জানান, তিনি ভোটাধিকারের জন্য লড়াই করে যাবেন।
মুখ্যমন্ত্রী অনুরোধে বলতে উঠে নির্বাচন কমিশনকে বিঁধে মেনকা বলেন, “সংবিধান দু’টি মূল কথা বলে। আমরা সকলে সমান, ধর্ম-জাতি-লিঙ্গভেদে। দ্বিতীয়, প্রত্যেক নাগরিকের ভোটের অধিকার রয়েছে। ভারতকে এই সংবিধান এক করে রেখেছে। আমি আইনজীবী। সাধারণ আইনজীবী। কিন্তু আমার মনে একটাই জিনিস রয়েছে। সংবিধান। কারণ এই সংবিধানই আমাদের ভোট দেওয়ার অধিকার দিয়েছে। ৬০ লক্ষ বাংলার নাগরিক নির্বাচন কমিশনের খাতায় বিচারাধীন। এর অর্থ আপনাকে ভোট দিতে দেওয়া হবে না। তাহলে কীভাবে এটি মুক্ত এবং ন্যায্য নির্বাচন হল। কাকে ভোট দেবেন? আপনাদের মনে হয় না যে সবার ভোট দেওয়া উচিৎ? আমরা আদালতে লড়ছি। আমরা শীর্ষ আদালতে লড়ছি। সকল বাংলার নাগরিকের ভোট দেওয়ার অধিকার রয়েছে। আপনারা দেবেন আপনার ভোট। জয় বাংলা। জয় সংবিধান।”
মেনকার বক্তব্য শোনার পর মমতা বললেন, “মেনকা খুব ভাল বলেছে। হৃদয় ছুঁয়ে গেছে।”
শুক্রবার ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে মমতার সঙ্গে উপস্থিত রয়েছে রাজ্যের বিধায়ক থেকে শুরু করে নেতামন্ত্রীরা। রয়েছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, মেয়র ফিরহাদ হাকিম বিধায়ক দোলা সেন, সাংসদ জুন মালিয়া এবং অন্যান্য নেতৃত্ব। ধর্নামঞ্চে রয়েছেন এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম বাদ যাওয়া ভোটার, রয়েছেন এসআইআরে ‘মৃত’ বলে চিহ্নিত হওয়া জীবিত ভোটাররা। তৃণমূলপন্থী বিএলও সংগঠনও উপস্থিত রয়েছে ধর্নায়। জেলা থেকে তৃণমূল বিধায়কেরা লোকজন নিয়ে উপস্থিত হয়েছেন মঞ্চে। খসড়া তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে মিনাখাঁর রামকৃষ্ণ সারদা মিশনে প্রেসিডেন্ট মহারাজের নাম। এদিনের ধর্নামঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন তিনিও।
