আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভোট বাংলায়। যে কোনও দিন ঘোষণা হয়ে যাবে নির্ঘন্ট। এসবের মাঝেই, বৃহস্পতিবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বার্তা দিয়েছেন, আদর্শ আচরণবিধি শুরু হওয়ার আগে, নয়া প্রকল্পগুলি চালু হয়ে যাক, তেমনটাই চাইছেন তিনি। সূত্রের খবর তেমনটাই। এসবের মাঝেই শুক্রবার, আর একটি টুইট করেন খোদ মমতা। বাংলার পাঁচটি সম্প্রদায়ের জন্য, পাঁচটি পৃথক বোর্ড গড়ার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। 

টুইটে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, 'আমি আনন্দের সাথে ঘোষণা করছি যে, আমাদের সরকার শীঘ্রই মুন্ডা (এসটি), কোরা (এসটি), ডোম (এসসি), কুম্ভকার (ওবিসি) এবং সদগোপ (ওবিসি) সম্প্রদায়ের জন্য পাঁচটি নতুন সাংস্কৃতিক ও উন্নয়ন বোর্ড গঠন করতে চায়। এই সম্প্রদায়গুলি বাংলার প্রাণবন্ত কাঠামোর অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের সকলকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন।

এই বোর্ডগুলি উন্নত শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং চাকরি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের অনন্য ভাষা এবং ঐতিহ্য রক্ষা করবে। তারা ঐতিহ্যবাহী অধিকার রক্ষা করবে এবং আরও আর্থ-সামাজিক প্রবৃদ্ধি আনবে।​২০১৩ সাল থেকে, আমরা আমাদের দুর্বল সম্প্রদায়ের জন্য এই জাতীয় অনেক বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেছি, তাদের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করে।'

?s=48


মমতার এই টুইট সামনে আসতেই, স্বাভাবিক ভাবে একাংশের উচ্ছ্বাস চোখে পড়ার মতো। অন্যদিকে, ভোটের মুখে এই ঘোষণা, তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে সদর্থক প্রভেব ফেলবে বলেই মত অনেকের। দাবি, মমতা ব্যানার্জির সরকার চাইছে, ভোট ঘোষণার আগে, সার্বিকভাবে, সমস্ত স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে। 

 

এর আগে, বৃহস্পতিবার ভার্চুয়াল বৈঠকে বসেছিলেন মমতা। সেখান থেকেই এই বার্তা দেন তিনি। সাফ জানিয়ে দেন, যুবসাথী কিংবা খেতমজুরদের টাকা পৌঁছে দিতে হবে দ্রুত। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী চাইছেন আদর্শ আচরণবিধি চাল্য হওয়ার আগেই, নয়া প্রকল্পগুলির কাজ শুরু করে দিতে। যুব সাথী প্রকল্প প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, রাজ্য বাজেট পেশের দিন জানা গিয়েছিল চলতি বছর ১৫ আগস্ট থেকেই চালু হবে 'বাংলার যুবসাথী' প্রকল্প। পরে, নবান্ন থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানা, আগস্ট নয়, এপ্রিল থেকেই কার্যকর হবে এই প্রকল্প। পরে ধরনা মঞ্চ থেকে ঘোষণা করেন, এপ্রিলের বদলে, মার্চ থেকেই টাকা পাবেন আবেদনকারীরা। ভোটের আগে, এই প্রকল্প ঘাসফুল শিবিরকে এক্সট্রা অক্সিজেন দেবে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।