আজকাল ওয়েবডেস্ক: সামাজিক মাধ্যমে অশ্লীল ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি। বাড়ির লোক তাঁর প্রতিবাদ করতে গেলে জুটল মারধর। এর জেরে মানসিক অবসাদগ্রস্ত হয়ে আত্মহত্যা করল নাবালিকা। ঘটনাটি পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের কাঁটাগড়িয়া এলাকার।
জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকা সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী। বছর ১৩ এর ওই নাবালিকাকে গত কয়েকদিন ধরে কেউ ফোন করে উত্যক্ত করছিল। তারপরই শুক্রবার ঘটে মর্মান্তিক এই ঘটনা। খবর পেয়ে উপস্থিত হয় জামালপুর থানার পুলিশ।
ঠিক কী ঘটেছিল? পরিবারের পক্ষ থেকে নাবালিকার বাবা অভিযোগ করেছেন, বেশ কয়েকদিন আগে থেকে ফোন করে একটি ছেলে উত্ত্যক্ত করছিল তাঁর মেয়েকে। বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটা নাগাদ বাড়ির ফোনের হোয়াটসঅ্যাপে এলাকারই এক যুবকের সঙ্গে এডিট করা একটি ছবি আসে। ছবি পাঠায় ওই অভিযুক্ত। এরপর পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি করে ওই যুবক। হুমকি দেওয়া হয় টাকা না দিলে সামাজিক মাধ্যমে অশ্লীল ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হবে। নাবালিকার পরিবারের তরফে এই বিষয়ে যুবকের পরিবারকে জানানো হয়। ওই অভিযুক্তের পরিবার উল্টে নাবালিকার বাবাকে মারধর করে।
এরপরই আত্মহত্যা করে ওই নাবালিকা। খবর পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ বেলা ১১ টা নাগাদ দেহ উদ্ধার করে। দুপুরে বর্ধমান মেডিকেল কলেজে ময়নাতদন্ত হয় আত্মঘাতী নাবালিকার। জানা গিয়েছে, বাবাকে মারধরের ঘটনার কথা জানতে পারার পরই নাবালিকা মানসিকভাবে ভেঙে পরে। তারপরই এই কাণ্ড ঘটায়। ঘরের দোতলায় ওড়নার ফাঁস লাগিয়ে সিলিংয়ের সঙ্গে ঝুলে পড়ে নাবালিকা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায়। লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় থানায়।
















