আজকাল ওয়েবডেস্ক: জলপাইগুড়ির বেড়ুবাড়ির পর এবার কোচবিহারের শীতলখুচি সীমান্ত। বাড়ছে শরণার্থীদের ভিড়। শুক্রবার সকালে শীতলখুচিতে ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে জড়ো হন এক বিরাট সংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিক। আশ্রয় চেয়ে ভারতে ঢুকতে চেষ্টা করেন তাঁরা। কিন্তু এদেশে প্রবেশের আগেই তাঁদের আটকে দেয় বিএসএফ।
জানা গিয়েছে, কোচবিহার জেলার শীতলখুচি ব্লকের পাঠানটুলি গ্রাম এলাকায় যে খর্প নদী রয়েছে সেই নদী পার হয়ে ভারতের দিকে আসতে থাকেন এই শরণার্থীরা। ওই এলাকার পাশেই রয়েছে বাংলাদেশের দই খাওয়া ও গেন্দুগুরি গ্রাম। নদীটি ভারতের অন্তর্ভুক্ত এবং পাশেই স্থলভূমিতে রয়েছে কাঁটাতারের বেড়া। যেখানে পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে বাড়ানো হয়েছে বিএসএফ জওয়ানের সংখ্যা। ঘটনাস্থল গিয়েছেন বিএসএফ কোচবিহার সেক্টরের ডিআইজি কেডি যাদব ও অন্যান্য পদস্থ কর্তারা।
সূত্র অনুযায়ী জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের এই নাগরিকরা অভিযোগ করেছেন তাঁদের মধ্যে অনেকেই দেশে অত্যাচারের শিকার হয়েছেন। ঘটনায় তাঁদের মধ্যে রীতিমতো তৈরি হয়েছে আতঙ্ক। দেশে নিরাপত্তার অভাব অনুভব করেই তাঁরা এসেছেন ভারতে আশ্রয় চাইতে। যদিও বৈধ কাগজপত্র না থাকায় বিএসএফ কাউকেই এপারে আসতে দেয়নি। এদিন বেলা যতই গড়িয়েছে ততই এই সীমান্তে ভিড় বেড়েছে বাংলাদেশি নাগরিকদের। সংখ্যাটা একটা সময় হাজারের কাছাকাছি পৌঁছে যায় বলেই স্থানীয় একটি সূত্রের দাবি।
সম্প্রতি জলপাইগুড়ির বেড়ুবাড়ি সীমান্তে ৫০০–র বেশি বাংলাদেশি নাগরিক জড়ো হয়ে আশ্রয় চেয়ে ভারতে ঢুকতে চেষ্টা করেন। তাঁদেরকেও ফিরিয়ে দিয়েছে বিএসএফ। বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর যেহেতু এই মুহূর্তে একটা অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাই বিএসএফ–এর তরফে ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তে জারি করা হয়েছে হাই–অ্যালার্ট।
জানা গিয়েছে, কোচবিহার জেলার শীতলখুচি ব্লকের পাঠানটুলি গ্রাম এলাকায় যে খর্প নদী রয়েছে সেই নদী পার হয়ে ভারতের দিকে আসতে থাকেন এই শরণার্থীরা। ওই এলাকার পাশেই রয়েছে বাংলাদেশের দই খাওয়া ও গেন্দুগুরি গ্রাম। নদীটি ভারতের অন্তর্ভুক্ত এবং পাশেই স্থলভূমিতে রয়েছে কাঁটাতারের বেড়া। যেখানে পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে বাড়ানো হয়েছে বিএসএফ জওয়ানের সংখ্যা। ঘটনাস্থল গিয়েছেন বিএসএফ কোচবিহার সেক্টরের ডিআইজি কেডি যাদব ও অন্যান্য পদস্থ কর্তারা।
সূত্র অনুযায়ী জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের এই নাগরিকরা অভিযোগ করেছেন তাঁদের মধ্যে অনেকেই দেশে অত্যাচারের শিকার হয়েছেন। ঘটনায় তাঁদের মধ্যে রীতিমতো তৈরি হয়েছে আতঙ্ক। দেশে নিরাপত্তার অভাব অনুভব করেই তাঁরা এসেছেন ভারতে আশ্রয় চাইতে। যদিও বৈধ কাগজপত্র না থাকায় বিএসএফ কাউকেই এপারে আসতে দেয়নি। এদিন বেলা যতই গড়িয়েছে ততই এই সীমান্তে ভিড় বেড়েছে বাংলাদেশি নাগরিকদের। সংখ্যাটা একটা সময় হাজারের কাছাকাছি পৌঁছে যায় বলেই স্থানীয় একটি সূত্রের দাবি।
সম্প্রতি জলপাইগুড়ির বেড়ুবাড়ি সীমান্তে ৫০০–র বেশি বাংলাদেশি নাগরিক জড়ো হয়ে আশ্রয় চেয়ে ভারতে ঢুকতে চেষ্টা করেন। তাঁদেরকেও ফিরিয়ে দিয়েছে বিএসএফ। বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর যেহেতু এই মুহূর্তে একটা অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাই বিএসএফ–এর তরফে ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তে জারি করা হয়েছে হাই–অ্যালার্ট।
