আজকাল ওয়েবডেস্ক: পাঁচ মন্ত্রীকে নিয়ে বসেছিল, প্রথম শুভেন্দু-ক্যাবিনেট বৈঠক। সেই বৈঠক শেষেই, শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা, প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা, বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় প্রকল্প এবং কেন্দ্র সরকারের সহায়তায় চলা প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম।'
সেখানেই বিশ্বকর্মা যোজনা নিয়ে মন্তব্য করেন শুভেন্দু। বলেন, 'বিশ্বকর্মা যোজনায়, আমাদের যাঁরা বিশ্বকর্মা আছেন, হাতের কাজ করেন, আমাদের কামার-কুমোর-স্বর্ণকার-মালাকার থেকে তাঁতি-নাপিত সবাই, যাঁরা আট লক্ষ ৬৫ হাজার আবেদন করে রেখেছিলেন, কেন্দ্রের কাছে তাঁদের নাম পাঠাবে নয়া সরকার।' সঙ্গেই পূর্বতন সরকারকে কাঠগড়ায়ও তোলেন তিনি। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, ভোট-মুখী বাংলায় নির্বাচনী প্রচারে গেরুয়া শিবিরের শীর্ষ নেতাদের মুখে এই প্রকল্পের কথা উঠে এসেছিল।
কী এই বিশ্বকর্মা যোজনা? কারা পাবেন এই প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা?
এই প্রকল্পের সূচনা হয় মূলত ২০২৩ সালে।
লক্ষ্য, দেশের প্রান্তিক এলাকায়, যেসব মানুষ জীবিকা নির্বাহ করেন শিল্প কর্মের মাধ্যমে, তাঁদের সহায়তা। সহায়তা পাবেন কামার,কুমোর, স্বর্ণকার, চর্মকার, নাপিত, তাঁতি, মালাকার, ধোপা, দর্জি-সহ একাধিক পেশার ।
মূলত ক্ষুদ্র শিল্পে, শিল্পীদের নির্দিষ্ট সময় ট্রেনিং দেওয়ার কথা বলা হয় এই প্রকল্পে।
প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হয় সার্টিফিকেট। দেওয়া হয় সরঞ্জাম কেনার জন্য আর্থিক সাহায্য।
কারা পাবেন এই সুবিধা? কীভাবেই বা পাবেন?
এই প্রকল্পে উল্লিখিত ১৮টি পরিবার-ভিত্তিক ঐতিহ্যবাহী পেশার মধ্যে কোনো একটিতে অসংগঠিত খাতে স্ব-কর্মসংস্থানের ভিত্তিতে নিযুক্ত, হাতে ও যন্ত্রপাতির সাহায্যে কর্মরত কোনও কারিগর বা শিল্পী পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।
প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য, আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ন্যূনতম ১৮।
আবেদনের সময় আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট পেশায় নিযুক্ত থাকতে হবে এবং তার আগের ৫ বছরের মধ্যে স্ব-কর্মসংস্থান/ব্যবসা উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারের অনুরূপ ঋণ-ভিত্তিক প্রকল্প, যেমন—পিএমইজিপি, পিএম স্বনিধি, মুদ্রা, ইত্যাদির অধীনে কোনও ঋণ গ্রহণ করে থাকলে চলবে না।
এই প্রকল্পে এক পরিবারের একজন আবেদন করতে পারবেন।
সরকারি চাকরিতে কর্মরত কোনও ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন না।















