আজকাল ওয়েবডেস্ক: গত ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ রবিউল ইসলামকে। তাঁর বিরুদ্ধে বাড়ি ভাঙচুর, জমি দখল, সালিশি সভা থেকে শুরু করে তোলাবাজির বেশ কিছু অভিযোগ আছে। পাশাপাশি, ২০২১-এর নির্বাচনের পর বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মীদের একাধিক বাড়ি ভাঙচুর, লক্ষ লক্ষ টাকা জরিমানা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। সেই অভিযোগে গ্রেপ্তার হয় দেগঙ্গার দোর্দণ্ড প্রতাপ তৃণমূল নেতা রবিউল।
রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর জরিমানা ফেরত এবং গ্রেপ্তারের দাবিতে রবিউলের বাড়িতে আছড়ে পড়েছিল জনরোষ। পাশাপাশি, রবিউলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ দায়ের করেছিলেন আক্রান্তরা। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই শুক্রবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বসিরহাট এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে রবিউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে দেগঙ্গা থানার পুলিশ।
শনিবার তাঁকে আদালতে পেশ করবার সময় সেখানেও জনরোষ দেখা যায়। আদালত চত্বরে উঠতে থাকে চোর চোর স্লোগান। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে লুঙ্গি উঁচিয়ে আদালত চত্বরের গারদের উদ্দেশ্যে দৌড় দেয় রবিউল। তাঁকে গারদে ঢুকিয়ে দেন পুলিশ কর্মীরা। জানা গিয়েছে, এদিন অভিযুক্তকে আদালতে পেশ করার পর তদন্তের স্বার্থে পুলিশি হেফাজত চাওয়া হবে।
অন্য দিকে, আরও একটি ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলার আরও এক তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে খণ্ডঘোষ এলাকার তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সাইফুদ্দিন চৌধুরী ওরফে নাসপাতিকে। পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, মারধর,হুমকি ও তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে। বৃহস্পতিবার তাঁকে তোলা হল বর্ধমান আদালতে। থানা থেকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময়ে স্থানীয়দের একাংশ তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। সেই সময়েও ‘চোর চোর’ স্লোগানও দেন তাঁরা।
















