সারা বছর শহরের এক কোণায় পড়ে থাকে এই মহল্লাটা। তবে এলাকাটায় যেন প্রাণের দীপ্তি ঠিকরে ওঠে বড়দিনের আগে। ক্রিসমাস ট্রি, সান্তাক্লজ, রং-বেরঙের বেলুন আর আলোর রোশনাই আর স্ট্রিট ফুডের গন্ধ... সেই চেনা ছবিতে প্রাণ ফিরে পায় কলকাতার অ্য়াংলো পাড়া।
ফি বছরের মতো চলতি বছরেও বড়দিনের আগে ব্যস্ততা তুঙ্গে বো-ব্যারাকে। কথা বলার ফুরসত নেই কারও। কিন্তু কেক বা ক্রিসমাসের সাজসজ্জা ছাড়াও বো-ব্যারাকের অন্য আর একটি আকর্ষণ রয়েছে। এখানকার পরিবারগুলি আজও বাড়িতে নিজের হাতে বানান কেক, পুডিং, নন অ্যালকোহলিক ওয়াইন। রসিক ক্রেতারা তার খোঁজখবর রাখেন, সংগ্রহও করেন।
শতাব্দী প্রাচীন ইতিহাসের সাক্ষী বড়দিনে ঝলমলে বো-ব্যারাক। বয়স বাড়লেও শহরের এই অ্যাংলো পাড়াটা আজও বৃদ্ধ হয় নি। তাই তো বড়দিনের প্রস্তুতিতেই যেন ব্যারাকজুড়ে উৎসবের মেজাজ। আর তাই শহরের এই তরতাজা অংশটির স্পর্শ নিতে ফি বছর এই মহল্লায় বড়দিনের আনন্দ নিতে আসে খুদে থেকে বড়রা।
ফি বছরের মতো চলতি বছরেও বড়দিনের আগে ব্যস্ততা তুঙ্গে বো-ব্যারাকে। কথা বলার ফুরসত নেই কারও। কিন্তু কেক বা ক্রিসমাসের সাজসজ্জা ছাড়াও বো-ব্যারাকের অন্য আর একটি আকর্ষণ রয়েছে। এখানকার পরিবারগুলি আজও বাড়িতে নিজের হাতে বানান কেক, পুডিং, নন অ্যালকোহলিক ওয়াইন। রসিক ক্রেতারা তার খোঁজখবর রাখেন, সংগ্রহও করেন।
শতাব্দী প্রাচীন ইতিহাসের সাক্ষী বড়দিনে ঝলমলে বো-ব্যারাক। বয়স বাড়লেও শহরের এই অ্যাংলো পাড়াটা আজও বৃদ্ধ হয় নি। তাই তো বড়দিনের প্রস্তুতিতেই যেন ব্যারাকজুড়ে উৎসবের মেজাজ। আর তাই শহরের এই তরতাজা অংশটির স্পর্শ নিতে ফি বছর এই মহল্লায় বড়দিনের আনন্দ নিতে আসে খুদে থেকে বড়রা।

