অলঙ্কার, সাজপোশাক চিরন্তন। নিজেকে সাজাতে নতুন আর কী?

একুশ শতক আবারও পুরনো ফ্যাশনকেই আপন করে নিয়েছে। যেমন, ট্যাটু। কালীদাসের কালেও ছিল। তখন নাবিক বা রাজা-রাজড়াদের হাত বা শরীরের শোভা বৃদ্ধি করত কালির কারুকাজ। রানি ক্লিওপেট্রাও নিজেকে ট্যাটুতে সাজাতে ভালবাসতেন। কালের চাকা ঘুরলেও এই প্রজন্ম নতুন করে ট্যাটুতে মজেছে। শুধুই নিজেকে সুন্দর দেখাতে? একেবারেই না। অনেক গোপন কথা, নীরবে প্রকাশ করতে। যেমন, দীপিকা পাড়ুকোন। রণবীর কাপুরকে চোখে হারাতেন। তাঁর মরাল গ্রীবায় জ্বলজ্বল করত ইংরেজি ‘আর’ শব্দটি। বিয়ে হয়েছে রণবীর সিংয়ের সঙ্গে। দীপিকা এক ঢিলে দুই পাখি মেরেছেন।

এরকমই প্রত্যেক ট্যাটুর কিছু না কিছু অর্থ আছে----

প্রাকৃতিক ট্যাটু: যেমন, গোলাপ ফুল, গাছের পাতা বা প্রাণীর মুখ। এই নকশাগুলি জীবনের কথা বলে। সমৃদ্ধি এবং স্থিতিস্থাপকতার প্রতীক। প্রকৃতি এবং বিশ্বের মধ্যে গভীর সংযোগের বার্তা দেয়। প্রকৃতিপ্রেমের গোুন কথাও প্রকাশ্যে আনে।

পোর্ট্রেট ট্যাটু: চিরন্তন স্মৃতিচিহ্ন হিসাবে ধরা যেতেই পারে। প্রিয়জনকে খুব মিস করলে তাঁর ছবি অঙ্গে এঁকে নিন। আপনার মধ্যে প্রতি মুহূর্তে তিনি জীবন্ত। একই ভাবে হারিয়ে যাওয়া প্রিয়জনদের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাতেও এই ট্যাটু আঁকাতে পারেন। তাঁদের স্মৃতি অমর হবে।




সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় প্রতীক: এই ট্যাটুগুলি সাধারণত একজন ব্যক্তির ঐতিহ্য বা আধ্যাত্মিক বিশ্বাসের প্রতিনিধিত্ব করে। ব্যক্তিগত পরিচয় এবং বিশ্বাসকে তুলে ধরে। তাঁর ধর্মীয় মত বা সংস্কারকে জানা যায়। একই ভাবে ঈশ্বরকে শরীরে ধারণ করলে আখেরে শুভ ফল লাভ হয়। পাশাপাশি, প্রিয় দেবতাকে ভালবাসাও জানানো হয়।

জ্যামিতিক নকশা: ট্রেন্ডি এবং আকর্ষণীয় এই ট্যাটুগুলি জটিল দার্শনিক ধারণা বা নান্দনিক পছন্দের প্রতীক হতে পারে। যা ব্যক্তিত্ব বা কোনও মানুষের অভ্যন্তরীণ জগতের আভাস দেয়।