আজকাল ওয়েবডেস্ক: দশমীর সন্ধে বেলা হঠাৎই বাবুঘাট পরিদর্শনে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যপাল যখন আসেন সেই সময় একের পর এক প্রতিমা নিরঞ্জন হচ্ছিল গঙ্গায়। একদম জলের ধারে গিয়ে কিছুক্ষণ প্রতিমা বিসর্জন দেখেন তিনি। বলেন, 'এই দুর্গাপুজোয় সময়টা সারা বাংলার মানুষ এক হয়ে যান। ভাই বোন হিসেবে সকলে সকলের পাশে থাকেন। মা দুর্গার আশীর্বাদে আমরা যেন সব সময় এরকম একসঙ্গে থাকতে পারি সেটাই কামনা করি।' এদিন সকাল থেকেই ব্যস্ততা তুঙ্গে বাবুঘাট চত্বরে। বেলা একটু বাড়তেই নিরঞ্জনের জন্য ঘাটে আসতে শুরু করে একের পর এক প্রতিমা। নিরাপত্তার জন্য ঘাট চত্বরে মোতায়েন ছিল সিআইএসএফ জওয়ান, কলকাতা পুলিশ। দায়িত্বে ছিলেন কলকাতা পুরসভার কর্মী এবং ডিসাস্টার ম্যানেজমেন্ট কর্মীরাও। কোনওভাবেই যাতে ঘাট চত্বরে ভিড় না জমে তার জন্য একবারে একটার বেশি ঠাকুর ঢুকতে দেওয়া হয়নি। যাত্রীবাহী বাস ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে ইডেনের সামনে থেকে। বড় প্রতিমার জন্য রাখা হয়েছে ক্রেন। যাঁরা ঠাকুর নামাচ্ছিলেন তাঁরা ছাড়া এক একটি পুজো কমিটি থেকে বড়জোর দশ থেকে বারো জনকে ঢুকতে দেওয়া হয়েছে ঘাটে। কলকাতা পুলিশের তরফে সাধারণ মানুষের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছিল লাইভ স্ক্রিনিংয়ের। গঙ্গার জল যাতে দূষিত না হয় এক একটি কাঠামো জলে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা তুলে নেওয়া হয়েছে ক্রেন দিয়ে।
Durga Puja: হঠাৎই বাবুঘাটে রাজ্যপাল বোস, জানালেন বিজয়ার শুভেচ্ছা
















