আজকাল ওয়েবডেস্ক: শীতে শুষ্ক ত্বকের জন্য আমরা অনেক কিছুই ব্যবহার করে থাকি। অনেক নামিদামি ব্র্যান্ডের গ্লিসারিন সাবান, ক্রিম, জেল সোপের মতো অনেক কিছুই। চারপাশের ভেজাল, কৃত্রিম উপাদান, দূষণকে এড়িয়ে যেতে অর্গ্যানিক ও ঘরে তৈরি প্রসাধনীর চাহিদা এখন তুঙ্গে। সেই তালিকায় একদম প্রথম দিকে রয়েছে সাবান। রোজকার সাবানে থাকতেই পারে অতিরিক্ত ক্ষার ও কেমিক্যাল। কিন্তু হাতে সাবান তৈরি করলে তাতে কী থাকছে, তার দিকে নজর রাখা যায়। আবার সাবানের গন্ধ, উপকরণও বাছাই করা যায় নিজের পছন্দ অনুযায়ী। অনেকেই শখেও সাবান তৈরি করেন বা ব্যবসার জন্যও বানিয়ে থাকেন। ত্বকের যত্নে অব্যর্থ এমনই এক সাবান হল কেশর সাবান। জেনে নিন কীভাবে বানাবেন।

বেশ কিছুটা কেশরের টুকরো টিস্যু পেপারে মুড়ে প্যানে অল্প আঁচে নাড়তে থাকুন। গরম হয়ে গেলে গুঁড়ো করে নিন। একটি বাটিতে গুঁড়ো করা কেশর, দু'চামচ গোলাপ জল, এক চামচ অ্যালোভেরা জেল, এক চামচ আমন্ড অয়েল ও দুটি ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে নিন। সাবানের বেস এখন সর্বত্রই পাওয়া যায়। সেই বেস টুকরো করে কেটে একটি ফুটন্ত গরম জলের উপর একটি পাত্র বসিয়ে ঢেলে দিন। সাবানের বেসগুলো গলে গেলে কেশরের মিশ্রণটি ঢেলে দিন। ভাল করে ফোটান। গরম থাকতে ডিজাইনার মোল্ডে ঢেলে রাখুন। চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর দেখবেন সুন্দর সুগন্ধি কেশরের সাবান তৈরি হয়ে গেছে।

কেশরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। যা ত্বক উজ্জ্বল করতে ও লাবণ্য ফেরাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ত্বকের বলিরেখা দূর করতেও সাহায্য করে কেশর। কেশরে রয়েছে অ্যান্টিব্যাক্টিরিয়াল উপাদান। যা ব্রণ ও ছোটখাটো সংক্রমণ দূরে রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি প্রদাহ কমাতেও সাহায্য করে কেশর। ব্রণর সমস্যা দূর হলেও ব্রণর দাগ সহজে দূর হয় না। অনেকের মুখেই ব্রণর দাগ থেকে যায়। এই দাগ থেকে রেহাই দেয় ভিটামিন ই ক্য়াপসুলের গুণ