দিনের শেষে রাঙা আলোয়... না চৈত্রমাস নয়, ভরা অগ্রহায়ণ। এমন দিনে ঝিমঝিমে হিম গায়ে জড়িয়ে সন্ধে নামে। আকাশ রাঙা কনে দেখা আলোয়। দিন আর রাতের এমন সন্ধিক্ষণেই কি পিয়া চক্রবর্তীর চোখে নিজের সর্বনাশ দেখেছিলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়? আপাতত প্রযোজক-পরিচালক-অভিনেতা ফোনে অধরা। আইনি বিয়ে সেরে আপাতত নতুন বৌ, আত্মীয়, ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের নিয়ে নতুন জীবনের স্বপ্নে বিভোর। তার মধ্যেই যুগল থেকে দম্পতি হওয়ার ছবি ভাগ করে নিয়েছেন। সঙ্গে ছোট্ট, মিষ্টি বার্তা, ‘আকাশের বুকে যখন সন্ধে নামে তখনই আমাদের পথচলা শুরু হোক’।



হোক খাতায়-কলমে বিয়ে, বিশেষ দিয়ে কি তাঁরা রংমিলন্তি? হিন্দু শাস্ত্র মেনে বিয়ের সাজে লালের ছোঁয়া ছিল?

‘পরম-পিয়া’র ছবি বলছে, লাল ছাড়া বিয়ের সাজ অসম্পূর্ণ তাঁরাও জানেন। তাই পিয়া সুন্দরী লাল কাজ করা সাদা শাড়িতে। সঙ্গে মানানসই লাল ব্লাউজ। আর হাল্কা সোনার গয়না। পরম লালিমা ছড়িয়েছেন লাল পাঞ্জাবিতে। হাল্কা শীতে উষ্ণতা খুঁজতে উপরে সাজিয়ে নিয়েছেন জহর কোট। হাতে হাত রেখে সই সেরে স্বামী-স্ত্রী হয়েছেন। চোখেমুখে রাজকন্যা আর রাজ্যজয়ের হাসি। ছবি ভাগ করে নিতেই দুই বাংলা উদ্বেল। রফিয়াত রশিদ মিথিলা, চয়নিকা চৌধুরী শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন। সৃজিত মুখোপাধ্যায় তাঁর প্রিয় অভিনেতাকে বিবাহিতদের মহল্লায় অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। আনুষ্ঠানিক বিয়ের পরে সন্ধেয় সংবাদমাধ্যমে নতুন জীবন নিয়ে মুখ খুলতে দেখা যায় পরমব্রতকে।




পরমব্রত-পিয়ার এই বিয়ে আপাতত দু’ভাগে ভাগ করে দিয়েছে বাঙালিদের। একদল তাঁদের প্রণয়-পরিণয় নিয়ে উচ্ছ্বসিত। অন্যদল, বিয়ে ভেঙে নতুন বিয়েতে জড়ানোর মতো পদক্ষেপ নিয়ে সমালোচনায় মুখর। সামাজিক পাতা উত্তাল মিমের বন্যায়। তবে সেসব এদিন স্পর্শ করেনি ‘পরম-পিয়া’কে। অভিনেতার বাড়িতেই এদিন আইনি বিয়ের যাবতীয় অনুষ্ঠান পালন হয়। দুপুরে বিয়ে মিটতেই ভাত, ডাল, মাছ, মাংস দিয়ে আপ্যায়ন জানানো হয় অতিথিদের।