‘টিনের তলোয়ার’-এ আর থাকছেন না যৌন হেনস্থাকারী সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়। নাট্য সংস্থা ‘মুখোমুখি’র পক্ষ থেকে সামাজিক মাধ্যমে এ কথা জানিয়েছেন বিলু দত্ত। সেই পোস্ট ভাগ করে নিয়ে ভুল সংশোধনের বার্তা দিলেন সুমন মুখোপাধ্যায়। তাঁর যুক্তি, তিনি শিখেছেন, বুদ্ধিমানেরা ভুল করে না এমন নয়। তবে যারা দ্রুত ভুল সংশোধন করে নিতে পারে তারাই প্রকৃত বুদ্ধিমান।
দিন কয়েক ধরেই অভিনেতা দামিণী বেণী বসু এবং তাঁর শিক্ষাগুরু নাট্য নির্দেশক-অভিনেতা সুমনের মধ্যে চরম টানাপোড়েন। সুমন বেণী অভিনীত "ছোটলোক" দেখার পরে সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসা করেছিলেন। সঙ্গে সঙ্গে পাল্টা বক্তব্য রেখে অভিনেত্রী তাঁর শিক্ষাগুরুর কাছে প্রশ্ন রাখেন, যৌন হেনস্থার অভিযোগ যার মাথায় সেই সুদীপ্তকে কেন দলে জায়গা দেওয়া হল? তাঁর আশঙ্কা, যাঁরা এই হেনস্থার শিকার তা হলে তাঁদের নিরাপত্তা কোথায়? সুমন কিন্তু একটি কথাও সমাজমাধ্যমে বলেননি। সেই সময় নাট্য এবং বিনোদন দুনিয়ার সঙ্গে জড়িত একাধিক বিশিষ্ট বেণীর সমর্থনে এগিয়ে আসেন। তাঁরা অভিনেত্রীর হয়ে ক্ষোভ উগরে দেন সামাজিক পাতায়। দিন তিনেক তর্ক-বিতর্কের পর অবশেষে রবিবার সুমনের এই স্বীকারোক্তি। বিবরণীতে লিখেছেন, ‘উৎপল দত্ত স্বঘোষিত মার্ক্সবাদী। বেণীমাধব চট্টোপাধ্যায় ওরফে কাপ্তেনবাবুর মধ্যে মিশে রয়েছেন তিনি। শিখেছি বারবার ওঁর কাছে, কী করে ভুল শুধরে নিতে হয়। উৎপলবাবুর ব্রেশট তর্জমায়- বুদ্ধিমান সে নয় যে ভুল করে না, বুদ্ধিমান সে যে ভুল তাড়াতাড়ি শুধরে নিতে পারে।’
এই বিবৃতির পরেও ফের সরব বেণী। তিনি পাল্টা বিবরণীতে লেখেছেন, অন্য কেউ হলে এই পদক্ষেপে হতাশ বা আহত হতেন না। বিষয়টির সঙ্গে বিলু দত্ত এবং সুমন মুখোপাধ্যায়ের মতো ব্যক্তিত্ব জড়িত। এটা তিনি কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না। এও জানিয়েছেন, সময় বয়ে যায়। কিন্তু ধর্ষিতার মনের ক্ষত সারে না। সেই যন্ত্রণাকে সম্মান দিতে হয়। তার উপরে আক্রান্ত মেয়েটি আজও অভিযুক্তকে শাস্তি দিতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তারপরেও কী করে এমন পদক্ষেপ করতে পারলেন সুমন? এই ভেবেই তিনি হতবাক।
দিন কয়েক ধরেই অভিনেতা দামিণী বেণী বসু এবং তাঁর শিক্ষাগুরু নাট্য নির্দেশক-অভিনেতা সুমনের মধ্যে চরম টানাপোড়েন। সুমন বেণী অভিনীত "ছোটলোক" দেখার পরে সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসা করেছিলেন। সঙ্গে সঙ্গে পাল্টা বক্তব্য রেখে অভিনেত্রী তাঁর শিক্ষাগুরুর কাছে প্রশ্ন রাখেন, যৌন হেনস্থার অভিযোগ যার মাথায় সেই সুদীপ্তকে কেন দলে জায়গা দেওয়া হল? তাঁর আশঙ্কা, যাঁরা এই হেনস্থার শিকার তা হলে তাঁদের নিরাপত্তা কোথায়? সুমন কিন্তু একটি কথাও সমাজমাধ্যমে বলেননি। সেই সময় নাট্য এবং বিনোদন দুনিয়ার সঙ্গে জড়িত একাধিক বিশিষ্ট বেণীর সমর্থনে এগিয়ে আসেন। তাঁরা অভিনেত্রীর হয়ে ক্ষোভ উগরে দেন সামাজিক পাতায়। দিন তিনেক তর্ক-বিতর্কের পর অবশেষে রবিবার সুমনের এই স্বীকারোক্তি। বিবরণীতে লিখেছেন, ‘উৎপল দত্ত স্বঘোষিত মার্ক্সবাদী। বেণীমাধব চট্টোপাধ্যায় ওরফে কাপ্তেনবাবুর মধ্যে মিশে রয়েছেন তিনি। শিখেছি বারবার ওঁর কাছে, কী করে ভুল শুধরে নিতে হয়। উৎপলবাবুর ব্রেশট তর্জমায়- বুদ্ধিমান সে নয় যে ভুল করে না, বুদ্ধিমান সে যে ভুল তাড়াতাড়ি শুধরে নিতে পারে।’
এই বিবৃতির পরেও ফের সরব বেণী। তিনি পাল্টা বিবরণীতে লেখেছেন, অন্য কেউ হলে এই পদক্ষেপে হতাশ বা আহত হতেন না। বিষয়টির সঙ্গে বিলু দত্ত এবং সুমন মুখোপাধ্যায়ের মতো ব্যক্তিত্ব জড়িত। এটা তিনি কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না। এও জানিয়েছেন, সময় বয়ে যায়। কিন্তু ধর্ষিতার মনের ক্ষত সারে না। সেই যন্ত্রণাকে সম্মান দিতে হয়। তার উপরে আক্রান্ত মেয়েটি আজও অভিযুক্তকে শাস্তি দিতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তারপরেও কী করে এমন পদক্ষেপ করতে পারলেন সুমন? এই ভেবেই তিনি হতবাক।
















