‘দেবী চৌধুরাণী’ প্রকাশ্যে। প্রকাশ্যে ছবির অন্যান্য অভিনেতাদের লুকও। ‘ভবানী পাঠক’ প্রকাশ্যে আসবেন না? স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন সবার। অবশেষে তিনি এলেন। আর প্রথম ঝলকেই সাড়া ফেলে দিলেন। শুভ্রজিৎ মিত্রের পিরিয়ড ড্রামা ‘দেবী চৌধুরাণী’র অন্যতম সম্পদ তিনি, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসের ‘ভবানী পাঠক’। যিনি হাতে ধরে প্রফুল্লকে ‘দেবী চৌধুরাণী’তে রপান্তরিত করেছিলেন। প্রযোজনায় এডিটেড মোশন পিকচার্স প্রোডাকশন, এডিটেড মোশন পিকচার্স এবং এলওকে আর্টস কালেকটিভ।
শনিবার থেকে শুভ্রজিতের ছবির দ্বিতীয় পর্বের শুটে যোগ দিলেন বুম্বাদা। বীরভূমে শুট শুরু। এখন টানা চলবে। গোটা ইউনিট পৌঁছে গিয়েছে সেখানে। শ্রাবন্তী এবং বাকি সমস্ত অভিনেতার সঙ্গে ক্যামেরা ভাগ করে নেবেন প্রসেনজিৎ। ভোর চারটে থেকে শুট চলছে। ক্যামেরার মুখোমুখি হওয়ার আগে রূপটান ঘরে তাঁকে ঘিরে জটলা। পরিচালক নিজে দাঁড়িয়ে থেকে তাঁর সাজ দেখে নিয়েছেন। মাথায় লাল পাগড়ি। বুকছোঁয়া দাড়ি-গোঁফের জঙ্গল। কপালে রক্ততিলক। গলায় রুদ্রাক্ষের মালা। কাঁধছোঁয়া লম্বা চুল। বুম্বাদাকে চেনা দায়। তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে শেষমুহূর্তের রূপটান দেখে নিচ্ছেন খ্যাতনামী রূপটানশিল্পী সোমনাথ কুণ্ডু।
প্রসেনজিতের লুক প্রকাশ্যে আনতে এতটা সময় লাগল? পরিচালকের কাছে প্রশ্ন রেখেছিল আজকাল ডট ইন। কথায় কথায় তিনি বলেন, ‘‘দম ফেলার ফুরসত নেই বুম্বাদার। একের পর এক কাজ। তাই ‘ভবানী পাঠক’ হয়ে ওঠার জন্য একটু সময় চেয়ে নিয়েছিলেন। ওজন বাড়িয়েছেন। গোঁফ-দাড়ি-চুল সবটাই বাড়িয়েছেন। যাতে রূপটানে সুবিধে হয়। সব মিলিয়েই তাই সময় লেগেছে।’’ ঘোড়ায় চড়া, অস্ত্রচালনা প্রশিক্ষণ— সমস্তই বাকিদের মতো তিনিও নিয়েছেন। ‘ভবানী পাঠক’ হওয়ার প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা কেমন? এক্ষুণি এ বিষেয় মুখ খুলতে নারাজ বাংলা ছবির ‘ইন্ডাস্ট্রি’। শুভ্রজিতের কথায়, ইতিহাস থেকে জানা যায়, ‘ভবানী পাঠক’ দশনামী সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন। সেই ঐতিহাসিক সূত্র ধরেই ছবিতে ‘ভবানী পাঠক’-এর ‘লুক’ তৈরি করা হয়েছে। এও বলেছেন, ‘‘ভবানী পাঠক চরিত্রটির সঙ্গে বুম্বাদার অদ্ভুত সাদৃশ্য। তাই শুরু থেকে আমি ওঁকেই ভেবেছি। আমি জানি, বুম্বাদা ছাড়া এই চরিত্র আর কেউ জীবন্ত করতে পারবে না।’’
শনিবার থেকে শুভ্রজিতের ছবির দ্বিতীয় পর্বের শুটে যোগ দিলেন বুম্বাদা। বীরভূমে শুট শুরু। এখন টানা চলবে। গোটা ইউনিট পৌঁছে গিয়েছে সেখানে। শ্রাবন্তী এবং বাকি সমস্ত অভিনেতার সঙ্গে ক্যামেরা ভাগ করে নেবেন প্রসেনজিৎ। ভোর চারটে থেকে শুট চলছে। ক্যামেরার মুখোমুখি হওয়ার আগে রূপটান ঘরে তাঁকে ঘিরে জটলা। পরিচালক নিজে দাঁড়িয়ে থেকে তাঁর সাজ দেখে নিয়েছেন। মাথায় লাল পাগড়ি। বুকছোঁয়া দাড়ি-গোঁফের জঙ্গল। কপালে রক্ততিলক। গলায় রুদ্রাক্ষের মালা। কাঁধছোঁয়া লম্বা চুল। বুম্বাদাকে চেনা দায়। তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে শেষমুহূর্তের রূপটান দেখে নিচ্ছেন খ্যাতনামী রূপটানশিল্পী সোমনাথ কুণ্ডু।
প্রসেনজিতের লুক প্রকাশ্যে আনতে এতটা সময় লাগল? পরিচালকের কাছে প্রশ্ন রেখেছিল আজকাল ডট ইন। কথায় কথায় তিনি বলেন, ‘‘দম ফেলার ফুরসত নেই বুম্বাদার। একের পর এক কাজ। তাই ‘ভবানী পাঠক’ হয়ে ওঠার জন্য একটু সময় চেয়ে নিয়েছিলেন। ওজন বাড়িয়েছেন। গোঁফ-দাড়ি-চুল সবটাই বাড়িয়েছেন। যাতে রূপটানে সুবিধে হয়। সব মিলিয়েই তাই সময় লেগেছে।’’ ঘোড়ায় চড়া, অস্ত্রচালনা প্রশিক্ষণ— সমস্তই বাকিদের মতো তিনিও নিয়েছেন। ‘ভবানী পাঠক’ হওয়ার প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা কেমন? এক্ষুণি এ বিষেয় মুখ খুলতে নারাজ বাংলা ছবির ‘ইন্ডাস্ট্রি’। শুভ্রজিতের কথায়, ইতিহাস থেকে জানা যায়, ‘ভবানী পাঠক’ দশনামী সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন। সেই ঐতিহাসিক সূত্র ধরেই ছবিতে ‘ভবানী পাঠক’-এর ‘লুক’ তৈরি করা হয়েছে। এও বলেছেন, ‘‘ভবানী পাঠক চরিত্রটির সঙ্গে বুম্বাদার অদ্ভুত সাদৃশ্য। তাই শুরু থেকে আমি ওঁকেই ভেবেছি। আমি জানি, বুম্বাদা ছাড়া এই চরিত্র আর কেউ জীবন্ত করতে পারবে না।’’
















