আজকাল ওয়েবডেস্ক: টি–২০ বিশ্বকাপে বিরাট বড় অঘটন। জিম্বাবোয়ের কাছে হেরে গেল অস্ট্রেলিয়া।
কলম্বোয় প্রথমে ব্যাট করে জিম্বাবোয়ে তুলেছিল ১৬৯/২। জবাবে অস্ট্রেলিয়া ১৯.৩ ওভারে থেমে গেল ১৪৬ রানে। জিম্বাবোয়ে জিতল ২৩ রানে।
আফগানিস্তানের কাছে হারতে হারতে বেঁচে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। দুটো সুপার ওভারের পর নাটকীয় ম্যাচ জেতে প্রোটিয়ারা। নেপালের বিরুদ্ধে হারতে হারতে জিতে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু শুক্রবার এবারের টি–২০ বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় অঘটনটা বোধহয় ঘটেই গেল।
সত্যিই অঘটন আজও ঘটে। অজিদের হারিয়ে বিশ্বকাপে ‘মুকাদ্দার কা সিকান্দার’ জিম্বাবোয়ে। কারণ জিম্বাবোয়ের অধিনায়ক যে সিকান্দার রাজা। যিনি অজিদের বিরুদ্ধে ১৩ বলে অপরাজিত ২৫ রানের ইনিংস খেলেন। যাতে দুটি চার ও একটি ছয় রয়েছে।
কলম্বোর মাঠে প্রথমে ব্যাট করে জিম্বাবোয়ে তুলেছিল ১৬৯/২। জবাবে অস্ট্রেলিয়া করল ১৯.৩ ওভারে ১৪৬। পুরো ২০ ওভার ব্যাটও করতে পারল না অজিরা।
১৭০ রান তাড়া করতে নেমে ২৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। জিম্বাবোয়ের বোলিং আক্রমণের সামনে কলম্বোর ২২ গজে দাঁড়াতেই পারেননি অস্ট্রেলিয়ার প্রথম চার ব্যাটার। জশ ইংলিস (৮), ট্রেভিস হেড (১৭), ক্যামেরন গ্রিন (০) এবং টিম ডেভিড (০) পর পর ফিরে যান। ইংলিস এবং ডেভিডকে আউট করেন ব্লেসিং মুজারাবানি। হেড এবং গ্রিন আউট হন ব্র্যাড ইভান্সের বলে। ১৭০ রান তাড়া করতে নামা অস্ট্রেলিয়াকে সে সময় প্রায় দিশেহারা দেখাচ্ছিল।
চাপের মুখে পরিস্থিতি সামলান গ্লেন ম্যাক্সওয়েল এবং ম্যাট রেনশ। পাঁচ নম্বরে নেমে ম্যাক্সওয়েল করেন ৩২ বলে ৩১। ১টি চার ও একটি ছয় মারেন। তাঁদের পঞ্চম উইকেটের জুটিতে ওঠে ৭৭ রান। ম্যাক্সওয়েলকে আউট করেন রায়ান বারি। রেনশ (৬৫) চেষ্টা করলেও ব্যর্থ মার্কাস স্টোইনিস (৬), বেন ডারউইশ (৬)।
গোটা ম্যাচে জিম্বাবোয়ের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং চাপ বাড়িয়ে দেয় অজি ব্যাটারদের।
এর আগে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্ব দেওয়া হেড। জিম্বাবোয়ের দুই ওপেনার ভাল শুরু করেন। তাদিওয়ানাশি মারুমানি ২১ বলে ৩৫ রান করেন। তিন নম্বরে নেমে বারি করেন ৩০ বলে ৩৫। শেষ পর্যন্ত ২২ গজে ছিলেন আর এক ওপেনার ব্রায়ান বেনেট। ৫৬ বলে ৬৪ রানের অপরাজিত ইনিংসে ৭টি চার মারেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার কোনও বোলারই তেমন সুবিধা করতে পারেননি। গ্রিন ৬ রানে ১ উইকেট নিয়েছেন। ১৭ রানে ১ উইকেট স্টোইনিসের। ম্যাক্সওয়েল, ডারউইশ, নাথান এলিস, অ্যাডাম জাম্পারা হতাশ করলেন।
