আজকাল ওয়েবডেস্ক: আহমেদাবাদে স্বপ্নের রাত। নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে দিয়ে ভারত তৃতীয় বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতল। কোনও দেশের এমন নজির নেই। আয়োজক দেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হচ্ছে, এমন নজিরও নেই। হিস্ট্রি রিপিট করে, হিস্ট্রি ডিফিট করে ভারত চ্যাম্পিয়ন হল। এমন এক মায়াবী রাতের অপেক্ষায় ছিল গোটা দেশ। ওয়াঘার ওপারে কিন্তু ভারতের এই বিশ্বজয়কে নিয়ে কটাক্ষ করছেন কেউ। আবার কেউ ভারতের জয়ের আলোয় আত্মনিরীক্ষণ করছেন। পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার আহমেদ শেহজাদ যেমন নিজেদের দিকে আলো ফেলছেন। তুলে ধরার চেষ্টা করছেন পাক ক্রিকেটের সমস্যাটা কোন জায়গায়।
সঞ্জু স্যামসন, ঈশান কিষানের কথা আলাদা করে উল্লেখ করছেন আহমেদ শেহজাদ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে এই দু'জন খুব একটা সুযোগ পাননি। কিন্তু বিশ্বকাপে তাঁরাই হয়ে উঠেছেন ম্যাচ উইনার।
শেহজাদ বলছেন, ''পাক ক্রিকেটে প্রতিভার অভাব নেই। আমাদের সিস্টেমে যত গন্ডগোল। ভারতের দিকে তাকাও। ওদের প্রতিভাও রয়েছে, সিস্টেমও ভাল। সেখান থেকেই তৈরি হচ্ছে ক্রিকেটার। এই প্লেয়ার কারা? সঞ্জু স্যামসন, যে সুযোগই পাচ্ছিল না। বিশ্বকাপের সেরা প্লেয়ার হয়ে গেল। এই প্লেয়ারের নাম ঈশান কিষান। যে কদাচিৎ খেলে। শৃঙ্খলার জন্য একসময়ে যাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ঘরোয়া ক্রিকেটে ভাল খেলে জাতীয় দলে ফিরে এসেছে।''
ভারতের বিশ্বকাপ জয়ে শোকের আবহ পাকিস্তানে। অভিষেক শর্মা ফর্মে ছিলেন না বিশ্বকাপে। কিন্তু ফাইনালে তাঁর ব্যাট কথা বলে। ২১ বলে ৫২ রান করেন তিনি। শেহজাদ বলছেন, ''অভিষেক শর্মা খুব চাপে ছিল। ২১ বলে ৫২ রান করে। এরকমই অভিষেক। ভারত কোথায় আর আমরা কোথায়। ভারত বড় দলের বিরুদ্ধে বড় ম্যাচ খেলে। বড় সিরিজ খেলে। আর আমরা জিম্বাবোয়ে, উগান্ডা, কেনিয়াকে হারিয়ে উৎসবে মেতে উঠি। পার্থক্য এটাই।''
🚨 Ahmed Shehzad takes a BRUTAL dig at Pakistan after India's world cup triumph
— Brutal Truth (@sarkarstix)
"India is at the top because they prepare themselves against top teams. Pakistan, on the other hand, is content with playing Zimbabwe, Uganda, and Kenya. In fact, I think we should have new rankings… pic.twitter.com/tLkgcMSMZrTweet by @sarkarstix
সেমিফাইনালে ও ফাইনালে ভারত আড়াইশোর বেশি রান করেছে। পাহাড়প্রমাণ রানের চাপে পিষ্ট হয়েছে প্রতিপক্ষ। শেহজাদ বলছেন, ''ভাল দল আসল সময়ে চূড়োয় ওঠে। ওরা যখন খেলে, তখন আড়াইশো করে। আমরা হলে ১৮০ করতাম। তার পরে আমরা বলতাম, ১৮০ করেছি এবার বোলাররা রান আটকাবে। ভারত কিন্তু এরকম করেনি।''
প্রাক্তন পাক তারকা আরও বলেন, ''নিউজিল্যান্ড ফাইনালে কামব্যাক করে। না হলে ভারত ২৭৫-এ গিয়ে থামত। ভেবে দেখুন, পাকিস্তান কি এই ধরনের ক্রিকেট খেলে? জিম্বাবোয়েকে ডেকে এনে পাকিস্তান হারাবে, কেনিয়াকে ডেকে এনে জিতবে, উগান্ডাকে এনে জিতবে।''
