আজকাল ওয়েবডেস্ক: বরুণ চক্রবর্তী এবং অক্ষর প্যাটেল ৪ ওভারে ৩৫, শিবম দুবে দু'ওভারে ৪৬। বুমরা চার ওভার করলেনই না। তিনি তিন ওভার বল করে খেলেন ২১।

অর্শদীপ তুলনায় ইকোনমিক্যাল বোলিং করলেন। সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয়, জিম্বাবোয়ের ব্রায়ান বেনেট ছাড়া কেউই সেভাবে খেলতে পারেননি। শুধুমাত্র সিকান্দর রাজা ২১ বলে ৩১ রান করেছেন।

বাকি বোলারদের হেলায় বাউন্ডারির বাইরে পাঠালেন বেনেট। রবিবার গুরুত্বপূর্ণ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচের আগে জিম্বাবোয়ের সামনে ভারতীয় বোলিংয়ের হতশ্রী চেহারা বেরিয়ে পড়ল।

দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে ব্যাটিং তো জিম্বাবোয়ে ম্যাচে বোলিং, গম্ভীরের কপাল থেকে চিন্তার ভাঁজ নামছে না। বরুণ চক্রবর্তী, অক্ষর প্যাটেলদের জিম্বাবোয়ে যেভাবে খেলল তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

রবিবার ইডেনে ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে নামবে টিম ইন্ডিয়া। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গত কয়েক বছরে ইডেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রেকর্ড ঈর্ষণীয়। তাছাড় রভম্যান পাওয়েল, শিমরন হেটমায়ার যে ফর্মে রয়েছেন তাতে ২০০ কিংবা ২২০ রানও কম হয়ে যেতে পারে।

তার ওপর কলকাতার মাঠের বাউন্ডারি বেশ ছোট। এদিন ভারত ২৫৭ রান করেছিল তাই, নইলে শেষের দিকে শিবম দুবে যে বোলিংটা করলেন তাতে তাঁর দলে থাকা নিয়েও প্রশ্ন উঠে যায়।

নো বল, ওয়াইড তো ছিলই, তার ওপর পিচের বাইরে ডেলিভারি পড়ছিল তাঁর। বেনেটও সুযোগের সদ্বব্যবহার করলেন। ক্যারিবিয়ানদের ব্যাটিং বিভাগ বেশিটাই শক্তির ওপর নির্ভরশীল।

জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে সেই শক্তির প্রদর্শনী দেখা গিয়েছিল। বৃহস্পতিবার প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে ম্যাচে শুরুতে উইকেট হারালেও শেষের দিকে দুর্ধষ ব্যাটিং করেন রোমারিও শেপার্ড এবং জেসন হোল্ডার।

ফলে, গভীর ব্যাটিং লাইন আপের বিরুদ্ধে নামার আগে বোলিং বিভাগ নিয়ে বসতে হবে টিম ম্যানেজমেন্টকে তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

হার্দিক পাণ্ডেয়া, অভিষেক শর্মা, তিলক ভার্মারা ছিলেন তাই। বৃহস্পতিবার জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে রানটা ২৫৭ না হয়ে যদি আর একটু কম হত তাহলেই হয়ে গিয়েছিল।

এদিন খাতায় কলমে গ্রুপের সবথেকে দুর্বল দলের বিরুদ্ধে ভারতীয় বোলিংয়ের হতশ্রী চেহারা বেরিয়ে গেল। যদিও ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে এদিন সিকান্দর রাজাদের ৭২ রানে হারাল টিম ইন্ডিয়া। এখনও বেঁচে রইল সেমিফাইনালের আশা।

পাওয়ার প্লে-র শেষে প্রথম উইকেট পায় ভারত। উল্টোদিকে একের পর এক উইকেট পড়লেও লড়াই জারি রেখেছিলেন বেনেট। তাঁকে সঙ্গ দেন অধিনায়ক সিকান্দর রাজাও।

কিন্তু রান এতটাই বেশি ছিল যে চালাতে গিয়ে উইকেট হারান সিকান্দর। তারপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি জিম্বাবোয়ে দল। টিম ইন্ডিয়ার ডেথ ওভার বোলিংয়ের কাছে বেনেট ছাড়া সকলেই হাত তুলে দেন। বেনেট অপরাজিত রইলেন ৯৭ রানে।

রবিবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে বোলিং বিভাগ থেকে যথেষ্ট খাটতে হবে গম্ভীরকে এটা তো বলাই যায়। ইডেনের মাঠ অনেকটাই ছোট।

এদিন শেষের দিকে শিবম দুবে দু'ওভার বল করে খেলেন ৪৬ রান। তার মধ্যে একাধিক নো বল, ওয়াইড বল তো রয়েছেই। ইডেনের ছোট মাঠে শক্তিশালী ক্যারিবিয়ানদের সামনে এই বোলিং করলে কপালে দুঃখ আছে।

সেই ভেবেই হয়তো ম্যাচের শেষে এদিন নেটে বল করতে দেখা গেল হার্দিককে। রবিরার ভারতের জন্য ডু অর ডাই ম্যাচ। তার আগে বোলিং বিভাগকে উন্নত করতে মরিয়া ম্যানেজমেন্ট।