আজকাল ওয়েবডেস্ক: টানা দুটি ম্যাচ জিতে টি–২০ বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু তৃতীয় ম্যাচেই ভারতের কাছে ৬১ রানে হেরে যেতে হয়। যদিও চতুর্থ ম্যাচে নামিবিয়াকে ১০২ রানে হারিয়ে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান।
সুপার এইটে গেলেও কোথাও যেন একটা ছন্দের অভাব দেখা যাচ্ছে। নামিবিয়া ম্যাচে এমন কিছু ঘটেছে, যাতে ম্লান হয়েছে সুপার এইটে ওঠার আনন্দ।
ঠিক কী ঘটেছে? উত্তর খুঁজতে গেলে পাকিস্তান–নামিবিয়া ম্যাচের গভীরে যেতে হবে। পাক ইনিংসের ষষ্ঠ ওভার চলছিল। প্রথম বলেই ব্যক্তিগত ১৪ রানে আউট হন ওপেনার সাইম আয়ুব। এতেই মেজাজ একেবারে সপ্তমে ওঠে পাকিস্তানের কোচ মাইক হেসনের। এতটাই রেগে গিয়েছিলেন যে, অধিনায়ক সলমন আলি আঘাকে কিছু বলতে দেখা যায়। চুপ থাকেননি আঘাও। তিনিও পাল্টা দেন। হেসন উঠে দাঁড়িয়ে আঙুল তুলে কিছু একটা বলেন পাক অধিনায়ককে। আঘাও জলের বোতল ছুড়ে ফেলে দেন। অধিনায়কের এই সাহস দেখে তাজ্জব হয়ে যান হেসন।
এদিকে, যখন এই ঘটনা ঘটে চলেছে, তখন আঘা ও হেসনের মাঝের সারিতে বসেছিলেন বাবর আজম। তিনি চুপচাপ বসে ঝগড়া দেখছিলেন। যদিও সামান্য অস্থিরতা দেখা গিয়েছিল তাঁর মুখে। সংবাদমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে সেই দৃশ্য। এটা ঘটনা, ভারতের বিরুদ্ধে দুরমুশ হওয়ার পর বাবর তো বটেই, শাহিন আফ্রিদির পারফরম্যান্স নিয়েও তুমুল কাটাছেঁড়া হয়। তাঁদের কেন দলের সঙ্গে বয়ে বেড়ানো হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রাক্তন ক্রিকেটাররা। ঘটনাচক্রে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে বাবর দলে থাকলেও তাঁকে ব্যাট করতে পাঠানো হয়নি।
নেটিজেনরা বলছেন, ব্যাটিং করার সুযোগ না পেয়ে চুপটি করে বসেছিলেন বাবর। তিনি চাইলেই কোচ ও অধিনায়কের মধ্যে ঝগড়া থামাতে পারতেন। তাঁরা এ কথাও বলেছেন, সিনিয়র ক্রিকেটার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেননি বাবর।
