আজকাল ওয়েবডেস্ক: ফর্ম-ছন্দ হাতড়ে বেড়াচ্ছেন বরুণ চক্রবর্তী। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে বরুণ চক্রবর্তী ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৬৪ রান দিয়েছেন। একটি উইকেট তিনি নেন। তাঁকে নিয়ে চলছে সমালোচনা।
ফাইনালের আগে তাঁর পাশে এসে দাঁড়ালেন নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। প্রতিপক্ষের অধিনায়কের কথায় বরুণ কিন্তু আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতে পারেন।
ফাইনালের আগে স্যান্টনার বলছেন, '' পিচ ফ্ল্যাট হলে বোলারের জন্য চ্যালেঞ্জ। পিচ স্পিনিং বা সিমিং হলে, ব্যাটসম্যানদের ঝামেলায় ফেলে দেয়। ফ্ল্যাট উইকেটে বোলারদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়ায় পরিস্থিতি। আমার মনে হয় প্রত্যেকেই ৬০ রান দেবে নির্দিষ্ট দিনে।''
স্যান্টনার আরও বলেন, ''বরুণের জেনে রাখা ভাল, এখনও ও ভাল বোলার। স্রোতের বিপরীতে যাওয়ার জন্য কেবল মাত্র একটি ম্যাচ দরকার বরুণের। যে কোনও বোলার বা ব্যাটারের ক্ষেত্রে এমনটা হতে পারে। ফর্ম না থাকলে কেবল একটা ম্যাচ দরকার ফিরে আসার জন্য। ফলে মাঠে নেমে নিজেকে কেবল প্রমাণ করতে হবে। এটা সবসময়ই চ্যালেঞ্জের। ক্রিকেটে এক একটা দিন এরকম হতেই পারে। পরের ম্যাচে নামার আগে অভিজ্ঞতার উপরে বিশ্বাস রাখতে হয়।''
বরুণ চক্রবর্তীকে যখন চতুর্দিক থেকে দুয়োধ্বনি শুনতে হচ্ছে ঠিক তখনই নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক আত্মবিশ্বাস জুগিয়ে গেলেন।
এহেন স্যান্টনারই কিন্তু সাংবাদিক বৈঠকে অস্ট্রেলিয়ার পথে হেঁটে বলেছেন, অনেকের হৃদয় ভেঙে দেব। ২০২৩ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স ভারতীয় ব্রিগেডকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। গোটা টুর্নামেন্ট জুড়ে দুর্দান্ত খেলা ভারত এসে থেমে গিয়েছিল ফাইনালে। প্যাট কামিন্সের অস্ট্রেলিয়া খেতাব জিতে নিয়েছিল। এবারও সেই রকমই কিছু ঘটানোর চেষ্টায় রয়েছেন কিউয়িরা।
স্যান্টনার বলছেন, ''দর্শকদের স্তব্ধ করিয়ে দেওয়াই আমাদের উদ্দেশ্য। কিন্তু ক্রিকেটে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। ভারতের মাটিতে জেতার চাপ রয়েছে।''
বাস্তবের মাটিতে পা দিয়ে চলা স্যান্টনার বলছেন, ''এবারের বিশ্বকাপে দেখা যাচ্ছে দলগুলোর মধ্যে ব্যবধান কেবল উনিশ আর বিশ। এমনও অনেক ম্যাচ রয়েছে যেখানে একটা মুহূর্তে ম্যাচের ভোল বদলে গিয়েছে। ইংল্যান্ড প্রায় রান তাড়া করে জিতে নিচ্ছিল। দক্ষিণ আফ্রিকা দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলেছে। কিন্তু আমাদের বিরুদ্ধে ওরা হেরে গেল। ফলে আমরা যদি নিজেদের ক্ষমতা অনুযায়ী খেলতে পারি, তাহলে আপসেট করতেই পারি।''
