আজকাল ওয়েবডেস্ক: তিনি দলেই ছিলেন না। রিয়াল মাদ্রিদের খেলা দেখবেন বলে স্থির করে ফেলেছিলেন। কিন্তু হঠাৎই সূর্যকুমার যাদব তাঁকে ডেকে নেন জাতীয় দলে। বাকিটা এখন ইতিহাস। মহম্মদ সিরাজ বিশ্বকাপে কেবল একটি ম্যাচেই খেলেছিলেন। কিন্তু জশপ্রীত বুমরাহ ফিরতেই তাঁর স্থান হয়ে যায় ডাগ আউট। বাকি ম্যাচগুলো তিনি ডাগ আউটে বসেই কাটিয়ে দিলেন। বাইরে থেকেই দেখলেন ভারত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়ে গিয়েছে।
আহমেদাবাদে ভারত বিশ্বকাপ জেতার পরে এহেন মহম্মদ সিরাজকেই বলতে শোনা গিয়েছে, ''আমার আর কুলদীপের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। মাঠের বাইরে বসে সতীর্থদের জল দেওয়া আর ব্যাট বহন করাই ছিল আমাদের কাজ।'' বিশ্বকাপ জিতে নিজের ভূমিকার কথা জানালেন মহম্মদ সিরাজ। কোথাও কি সিরাজ নিজের হতাশার কথাই বলে ফেললেন? সঞ্চালকও তাঁকে প্রশ্ন করেছিলেন বাইরে বসে থাকা কতটা হতাশার? হাসতে হাসতেই মজা করে সিরাজ কথাগুলো বলেছেন ঠিকই কিন্তু তার মধ্যে কোথাও যেন হতাশা লুকিয়ে ছিল।
নিজের প্রসঙ্গে সিরাজ বলেন, ''আমি তো প্রথম দলেই ছিলাম না। হঠাৎই ডাক পাই। সবটাই উপরওয়ালার পরিকল্পনা ছিল।'' আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে নেমেছিলেন সিরাজ। তার পরে আর প্রথম একাদশে তিনি খেলার সুযোগ পাননি।
Mohammed Siraj and Kuldeep Yadav share their emotions after being crowned champions. 🏆❤️#Champions #INDvNZ pic.twitter.com/Omqg91W4nr
— Star Sports (@StarSportsIndia)Tweet by @StarSportsIndia
সিরাজ যেমন আমেরিকার বিরুদ্ধে খেলেছিলেন, কুলদীপ আবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কেবল একটা ম্যাচ খেলেছেন। সিরাজ বলে চলেন, ''নেটে বোলিং করা। দলের ভিতরে ইতিবাচক পরিবেশ বজায় রাখাই আসল। আমি খেলি বা না খেলি দল সবার আগে। সব প্লেয়ারদেরই এমন চিন্তাভাবনা থাকা উচিত। দলের আগে কেউ নয়।''
ভারতীয় দল এবারের বিশ্বকাপে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে হেরে গিয়ে শুরুটা ভাল হয়নি টিম ইন্ডিয়ার। কিন্তু জিম্বাবোয়ে ম্যাচ থেকে ভারত ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। ইডেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উড়িয়ে দিয়ে ভারত পৌঁছয় সেমিফাইনালে। সেখানে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচ জিতে ফাইনালের ছাড়পত্র জোগাড় করে ভারত। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফাইনাল হয় একতরফা। ভারত তৃতীয়বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে নেয়।
