আজকাল ওয়েবডেস্ক: টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে অস্ট্রেলিয়ার অকাল বিদায় নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে একটুও রাখঢাক করলেন না ইংল্যান্ডের তরুণ ব্যাটার জেকব বেথেল।

অ্যাশেজ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীরা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকেই ছিটকে যাওয়ায় তিনি বলেন, ‘দেখে ভাল লাগছে।’ গ্রুপ ‘বি’ থেকে পরপর দুটি ম্যাচ হেরে সুপার এইটে উঠতে পারেনি মিচেল মার্শের অস্ট্রেলিয়া।

বিবিসির ‘টেস্ট ম্যাচ স্পেশাল’-এ বেথেল বলেন, টুর্নামেন্টে অস্ট্রেলিয়া একবারের জন্যও ছন্দ খুঁজে পায়নি। আসলে সকলেই জানেন, অস্ট্রেলিয়া একবার নক আউটে উঠে গেলে তাঁদের আটকানো মুশকিল। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে জিম্বাবোয়ে এবং শ্রীলঙ্কার কাছে হারতে হয় অজিদের।

তিনি বলেন, ‘দেখে ভাল লেগেছে। তারা পুরো টুর্নামেন্টে একবারের জন্যও আগুন ঝরাতে পারেনি। গ্রুপ পর্বে শুরু থেকেই ভাল খেলতে না পারলে এমন ফলাফলই হত। অবশ্য ওদের জন্য বিষয়টা দুঃখজনক।’

অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে শুরুটা দারুণ করেছিল। ১১ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে আয়ারল্যান্ডকে ৬৭ রানে হারায় তারা। কিন্তু সেই উইনিং স্ট্রিক দ্রুতই থেমে যায়।

এরপর জিম্বাবোয়ের কাছে ২৩ রানে হার এবং শ্রীলঙ্কার কাছে আট উইকেটে পরাজয় তাদের ভাগ্য প্রায় নির্ধারণ করে দেয়। সুপার এইটে ওঠার জন্য অন্য ম্যাচের ফলের ওপরও নির্ভর করতে হচ্ছিল তাদের।

কিন্তু ১৭ ফেব্রুয়ারি ক্যান্ডিতে জিম্বাবোয়ে ও আয়ারল্যান্ডের ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলে দুই দলের পয়েন্ট ভাগাভাগি হয়, এতেই অস্ট্রেলিয়ার আশা শেষ হয়ে যায়।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের বিশ্বকাপের পর অস্ট্রেলিয়া আটটি টি–টোয়েন্টি সিরিজের মধ্যে পাঁচটি জিতেছিল। মাত্র দুটি হেরেছিল এবং একটি ড্র করেছিল, গ্রুপ পর্ব থেকেই অজিদের এই বিদায়কে সকলেই অঘটন হিসেবে দেখছেন।

এই ব্যর্থতার পর সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয় যে দলটি নাকি টেস্ট ক্রিকেটেই বেশি মনোযোগী। তবে লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা সেই জল্পনা উড়িয়ে দেন।

তিনি জানান, কোচিং স্টাফ ও দল টি–টোয়েন্টি ফরম্যাটের জন্য যথেষ্ট প্রস্তুতি নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। এই ফরম্যাটে তাদের প্রতিশ্রুতিরও কোনও ঘাটতি নেই।

তবে অস্ট্রেলিয়া যখন একদিকে দেশে ফেরার বিমান ধরার জন্য ব্যস্ত। সেই পরিস্থিতিতে ইংল্যান্ড সুপার এইটের প্রস্তুতি নিচ্ছে। মুম্বইয়ে নেপালকে চার রানে হারায় ইংল্যান্ড।

কিন্তু পরের ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হারলেও স্কটল্যান্ড ও ইতালির বিরুদ্ধে জয় পেয়ে গ্রুপ ‘সি’-তে দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড। এবার তাদের সামনে সুপার এইট পর্ব, প্রথমে ক্যান্ডিতে শ্রীলঙ্কা, তারপর একই ভেন্যুতে পাকিস্তান এবং শেষে কলম্বোতে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলবে ইংল্যান্ড।