আজকাল ওয়েবডেস্ক: ফাইনালের বল এখনও গড়ায়নি।  কিন্তু তার অনেক আগেই ফাইনালের উষ্ণতা ছড়িয়ে দিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের ক্যাপ্টেন মিচেল স্যান্টনার। 

নীরব হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা দৃঢ়তার মতোই তাঁর কথা মৃদু, অথচ ধারালো। বলে দিলেন, কয়েকজনের হৃদয় ভেঙে কাপ নিয়ে যেতে তিনি তৈরি। 

ক্রিকেটের মাঠে ব্যাট-বলের লড়াই শুরু হওয়ার আগে আরও একটি খেলা চলে। সেটি হল মনস্তত্ত্বের খেলা। সেই খেলার প্রথম চালটা দিলেন স্যান্টনার। 

ভারতের ব্যাটিং প্রসঙ্গে তিনি বলছেন, ''দিনের শেষে মনে হচ্ছে ফ্ল্যাট উইকেটই হবে। আড়াইশোর আগে ২২০-র মধ্যে ভারতকে আটকে রাখার চেষ্টা করব। তাহলে আমাদের সামনে জয়ের সুযোগ থাকবে।'' 

সাংবাদিক বৈঠকে স্যান্টনারের কথার সূত্র ধরেই জিজ্ঞাসা করা হয় ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবকে। সূর্য বলেন, ''ঝুল বোল রাহা হ্যায়। আমরা ভাল ব্যাট করার চেষ্টা করব। ২২৫ বা ২৫০ রান করলে ভাল। কখনও কখনও উইকেট অন্যধরনের হয়। আমাদেরও সেই মতোই খেলতে হবে। আমরা কত রান করব, সাজঘর থেকে বসে ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব নয়। পিচ যেরকম হবে , সেই রকম ভাবেই খেলতে হবে।'' 

ঘরের মাঠ কখনও কখনও আশ্রয়, আবার কখনও অদৃশ্য এক ভার। দর্শকদের গর্জন, পরিচিত পিচের গন্ধ, পতাকার ঢেউ—সব মিলিয়ে যেন এক অদ্ভুত প্রত্যাশার পাহাড় দাঁড়িয়ে থাকে আয়োজক দলের সামনে।
ভারতও ঠিক একই চাপের মুখে। 
ফাইনালের লড়াইটা শুধু ব্যাট আর বলের নয়। লড়াইটা প্রত্যাশা আর স্নায়ুরও।  ঘরের মাঠে খেলছে ভারত। ফলে ভারতের উপরে প্রত্যাশার চাপ বেশি। স্যান্টনার তাই বলছেন, ''বিশ্বজয়ের জন্য ভারতের উপরে চাপ বেশি। আমরা ভারতের উপরে আরও চাপ বাড়াব, তার পরে দেখা যাক কী হয়।'' 

সব প্রশ্নের উত্তর আজ মিলবে আহমেদাবাদে। অপেক্ষা আর কয়েক ঘণ্টার।