আজকাল ওয়েবডেস্ক: তিনি ভারতীয় ক্রিকেটের 'ব্যাড বয়' হিসেবে পরিচিত। 

ঈশান কিষান 'গুড বয়' হয়ে ফিরলেন। পাক বোলারদের যত্রতত্র ছুড়ে ফেললেন। রকেট গতিতে রান তুললেন। যে পিচে বল পড়ে থমকে আসছে, বল ঘুরছে, সেই পিচে ঈশান কিষান ৪০ বলে ৭৭ রানের ইনিংস খেললেন। তাও আবার যুবরাজ সিংয়ের রেকর্ড ভাঙলেন ঈশান কিষান। ভারত-পাক  টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তৃতীয় দ্রুততম পঞ্চাশ করলেন তিনি। ২৭ বলে এদিন ফিফটি করেন ঈশান কিষান। যুবি ২৯ বলে পঞ্চাশ করেছিলেন। একসময়ে ভারতের ৮৮ রানের মধ্যে ঈশান কিষান একাই ৭৭ রান করেছিলেন। এত গতিতে তিনি রান তুলছিলেন, তখন মনে হচ্ছিল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত হয়তো রানের পাহাড় গড়বে। কিন্তু তিনি ফিরে যেতেই বদলে যায় পরিস্থিতি। শেষ পর্যন্ত ভারত করে ৭ উইকেটে ১৭৫ রান।

এই পিচে ব্যাট করা যে কঠিন, তা বোঝা গেল ঈশান ফিরে যাওয়ার পরই। অবশ্য আগেই খাতা না খুলে ফিরে যান অভিষেক শর্মা। লাগাতার দু'ম্যাচে ব্যর্থ হন তিনি। শুরুতেই বাঁ হাতি ওপেনারের উইকেট খোয়ালেও ঈশান কিষান রানের গতি বাড়িয়ে যান। 

উসমান তারিককে নিয়ে জোর চর্চা চলছে। সেই তিনি এলেন ১০-ম ওভারে। প্রথম বলেই চার মারলেন ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ভারতের অনুশীলনে উসমান তারিকের মতো থেমে থেমে বল করতে দেখা গিয়েছিল সূর্যকুমার যাদবকে। ভারতীয়রা উসমান তারিককে খেলার প্রস্তুতি নিয়েই মহারণে নেমেছেন। উসমান তারিক কোনও সমস্যাই তৈরি করতে পারেননি। কিন্তু সাইম আয়ুব ভারতকে ঝটকা দেন। 

বিধ্বংসী ঈশান কিষানকে ফেরান সাইম আযুব। বল বুঝতে না পেরে বোল্ড হন ঈশান কিষান। ড্রিঙ্কস ব্রেকের সময় গৌতম গম্ভীর পরামর্শ দিয়েছিলেন। ভারতের হেডস্যরের পরামর্শ কাজে আসেনি। তিলক ভার্মা (২৫) এলবিডব্লিউ হন সাইম আয়ুবের বলে। হার্দিক পাণ্ডিয়া (০) এসেই শিক্ষানবিশের মতো তুলে মারতে গিয়ে ফিরলেন। সাইম আয়ুবকে হ্যাটট্রিকের সুযোগ করে দিলেন। শিবম দুবেকে প্রথম বলেই বিভ্রান্ত করে দিয়েছিলেন সাইম আয়ুব। আউটের জোরালো আবেদন করতে থাকেন পাক ক্রিকেটাররা। কিন্তু সেই যাত্রায় জীবন ফিরে পান শিবম দুবে। 

কলম্বোর এই পিচে দ্রুত বেগে রান তোলা সম্ভব নয়, তা বোঝাই যাচ্ছিল। যত সময় যাচ্ছে, ততই যেন পিচ মন্থর হয়ে যাচ্ছে। এই ধরনের পিচে বরুণ চক্রবর্তী, কুলদীপ যাদব, অক্ষর প্যাটেলরা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবেন বলাই যায়।