আজকাল ওয়েবডেস্ক: আমেরিকাকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে সূর্যকুমার যাদবের ভারত। মুম্বইয়ে জিতে এবার ভারতের লড়াই নয়াদিল্লিতে। ভারতের প্রতিপক্ষ এবার নামিবিয়া। কিন্তু নামিবিয়া চ্যালেঞ্জের আগে সূর্যকুমার যাদবের দলকে ভাবাচ্ছে নামিবিয়ার চাণক্য। তিনি আবার ভারতীয় ক্রিকেটকে হাতের তালুর মতো চেনেন।
মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে ২০১১ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। সেই বিশ্বজয়ী দলের মস্তিষ্ক ছিলেন তিনি। তিনি গ্যারি কার্স্টেন। গুরু গ্যারি।
নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ভারত নামছে চলতি মাসের ১২ তারিখ। নামিবিয়া ভারতের শক্তি-দুর্বলতা সম্পর্কে ধারণা পাচ্ছে গ্যারি কার্স্টেনের কাছ থেকে।
গ্যারি কার্স্টেন এই নামিবিয়া দলের সিক্রেট উইপন। তিনি এখন নামিবিয়ার কনসালট্যান্ট। তিনিই পিছন থেকে ভারত সম্পর্কে তথ্য জোগাচ্ছেন নামিবিয়াকে।
নামিবিয়ার অধিনায়ক ইরাসমাস বলেছেন, ''গ্যারির প্রচুর অভিজ্ঞতা। কেবল আইপিএলে নয়, ২০১১ সালের জয়ী দলের কোচ ছিল। বিভিন্ন মাঠ সম্পর্কেও তাঁর অগাধ জ্ঞান।''
ফলে স্যর গ্যারির কাছ থেকে তথ্য পেয়ে নামিবিয়া যে পূর্ণ উদ্যমে ভারতের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়বে তা বলাই বাহুল্য।
এদিকে প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছিলেন ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন কোচ গৌতম গম্ভীর। টি–২০ বিশ্বকাপের সম্প্রচারকারী চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গম্ভীর বলেছেন, টটসূর্য অসাধারণ অধিনায়ক। ও কেমন ব্যাট করে, কী ধরনের শট খেলে, মাঠে ওর ভূমিকা কেমন থাকে–এগুলো আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। সূর্য সতীর্থদের সঙ্গে যেভাবে মেশে, সময় কাটায়, কথা বলে সেগুলোই আসল আমার কাছে। সূর্য দুর্দান্ত নেতা। চাপের সময়ও স্বাভাবিক থাকতে পারে।''
গম্ভীর আরও বলেছেন, ''একজন কোচকে নানা বিষয় নিয়ে ভাবতে হয়। কোচের অন্যতম কাজ দলের পরিবেশ ঠিক রাখা। শান্তিপূর্ণ দল নিয়ে কাজ করা যে কোনও কোচের স্বপ্ন। এই ক্ষেত্রে সূর্য আমার কাজ অনেক কমিয়ে দিয়েছে। অধিনায়ক হিসাবে প্রতিটি দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করে আমার জীবন সহজ করে দিয়েছে। ওর মতো কেউ জাতীয় দলের নেতৃত্বে থাকলে দারুণ হয়। সূর্যের মনঃসংযোগের সমস্যা নেই। সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে। বিশেষ করে চাপের সময়।''
আমেরিকার বিরুদ্ধে ম্যাচটা ভারতের জন্য ছিল ওয়েক আপ কল। টুর্ননামেন্টের বাকি ম্যাচগুলোয় ভারত কীভাবে বাকিদের দুরমুশ করে, সেটাই দেখার।
