আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ টি–২০ বিশ্বকাপে এখনও রানের খাতা খুলতে পারেননি। তিনটি ম্যাচেই শূন্য করেছেন। শেষ সাত ম্যাচে পাঁচটি শূন্য। তবুও টি–২০ আন্তর্জাতিকে ব্যাটারদের তালিকায় শীর্ষস্থানেই থাকলেন অভিষেক শর্মা।


আইসিসি–র প্রকাশিত সাম্প্রতিক তালিকা অনুযায়ী, প্রথম দশে ঢুকে পড়েছেন ঈশান কিষানও।


টি–২০ বিশ্বকাপে একটি ম্যাচেও রান পাননি অভিষেক। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম বলে আউট হন। নামিবিয়া ম্যাচে পেটের সমস্যায় খেলতে পারেননি। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শূন্য করেন। বুধবার নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধেও কোনও রান করতে পারেননি। প্রস্তুতি ম্যাচেও শূন্য করেছিলেন। খারাপ ফর্ম সত্ত্বেও তাঁকে এক নম্বর জায়গা থেকে সরানো যায়নি।


তবে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ঈশান উঠে এসেছেন ১৭ ধাপ। তিনি এখন আটে। বিশ্বকাপে টানা দু’টি অর্ধশতরান করার পুরস্কার পেয়েছেন ঈশান। এর মধ্যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৪০ বলে ৭৭ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়েছিলেন।

 এদিকে, শতরান করে অস্ট্রেলিয়াকে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দেওয়ার কারিগর, শ্রীলঙ্কার পাথুম নিসঙ্কা তিন ধাপ উঠে এসে তিন নম্বরে রয়েছেন। ইংল্যান্ডের ফিল সল্ট রয়েছেন দু’নম্বরে। প্রথম দশে থাকা বাকি দুই ভারতীয় হলেন তিলক বর্মা (৪) এবং সূর্যকুমার যাদব (৬)।


এদিকে, টি–২০ আন্তর্জাতিকে এক নম্বর অলরাউন্ডার হিসাবে এক নম্বরে উঠে এসেছেন পাকিস্তানের সাইম আয়ুব। তিনি টপকে গিয়েছেন জিম্বাবোয়ের সিকান্দার রাজাকে। নেপালের দীপেন্দ্র সিংহ ঐরী এবং আফগানিস্তানের আজমাতুল্লাহ ওমরজাই যুগ্মভাবে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন।


বোলারদের মধ্যে আফগানিস্তানের রশিদ খান উঠে এসেছেন দ্বিতীয় স্থানে। শীর্ষে যথারীতি ভারতের বরুণ চক্রবর্তী। জিম্বাবোয়ের ব্র্যাড ইভান্স ১০ ধাপ উঠে পঞ্চম স্থানে চলে এসেছেন।

এদিকে, টি–২০ বিশ্বকাপে লজ্জার রেকর্ড অভিষেক শর্মার। বিশ্বমঞ্চে শূন্যের হ্যাটট্রিক। প্রথম রানের জন্য অপেক্ষা দীর্ঘায়িত হল। আমেরিকা এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শূন্যের পর বুধবার আমেদাবাদে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধেও খাতা খুলতে ব্যর্থ। ফের শূন্যতে ফেরেন। তৃতীয় শূন্য করার সঙ্গে সঙ্গেই লজ্জার রেকর্ড গড়ে ফেললেন। টি–২০ বিশ্বকাপে ভারতীয়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শূন্যের রেকর্ড অভিষেকের। আশিস নেহরার সঙ্গে যৌথভাবে এই জায়গায় ভারতের বাঁ হাতি ওপেনার। 


এই তালিকায় এক নম্বরে পাকিস্তানের শাহিদ আফ্রিদি এবং তিলকরত্নে দিলশান। দু’‌জনেরই বিশ্বকাপে পাঁচ শূন্যের রেকর্ড। টি–২০ তে ৩৪টি ম্যাচ খেলেছেন আফ্রিদি। দিলশান খেলেছেন ৩৫টি ম্যাচ।