আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিশ্বকাপ জয়ের পর আবেগ চেপে রাখতে পারেননি অভিষেক শর্মা। সূর্যকুমার যাদব এবং গৌতম গম্ভীরকে ধন্যবাদ জানান বাঁ হাতি ওপেনার। একটানা ব্যর্থতার পর হতাশায় ডুবে গিয়েছিলেন। নিজের ওপর বিশ্বাস হারাতে শুরু করেন। কিন্তু তাঁর ওপর থেকে আস্থা হারায়নি ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। বিশেষ করে গম্ভীর এবং সূর্য। ক্রমাগত বলেন, 'তুমি পারবে। তুমি একদিন আমাদের বড় ম্যাচ জেতাবে।' তার ফল মেলে ফাইনালে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২১ বলে ৫২ রান করেন। ব্যাট করতে নেমে সঞ্জুর সঙ্গে জুটি বেঁধে ভারতকে পাওয়ার প্লের শেষে প্রায় ১০০ রানের কাছাকাছি পৌঁছে দেন। আহমেদাবাদে ৯৬ রানে জিতে প্রথম দল হিসেবে খেতাব ধরে রাখতে সক্ষম টিম ইন্ডিয়া।
বিশ্বজয়ের পর অভিষেক বলেন, 'একটা কথা আমি আগেই জানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেটা বলার জন্য আজকের দিনটাই আদর্শ। অধিনায়ক এবং কোচের আমার ওপর আস্থা ছিল। এমনকী যখন আমার নিজেকে নিয়ে সংশয় ছিল। এর আগে আমার এমন অভিজ্ঞতা কোনওদিন হয়নি। কঠিন টুর্নামেন্ট ছিল। আমি নিজের খেলাটা খেলার চেষ্টা করছিলাম। ম্যাচ প্রতি এগোতে চাই। তবে সহজ ছিল না। কিন্তু সবাই আমার পাশে ছিল। আমার জন্যও কঠিন ছিল। সারা বছর আমি ভাল খেলেছি। বড় টুর্নামেন্টে আমি পারছিলাম না। কিন্তু আমার ওপর বিশ্বাস দেখায় দল এবং ম্যানেজমেন্ট। টুর্নামেন্টের মাঝে আমি আবেগতাড়িত হয়ে পড়ি। কোচ এবং অধিনায়কের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলি। তাঁরা বলে, তুমি আমাদের বড় ম্যাচ জেতাবে। কঠিন সময়ও আমরা সমর্থকদের পাশে পেয়েছি।'
টি-২০ বিশ্বকাপের শুরুটা শূন্যের হ্যাটট্রিক দিয়ে করেছিলেন। শেষটা করেন রেকর্ড দিয়ে। চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে দ্রুততম অর্ধশতরানের নজির গড়েন। ১৮ বলে ৫০ রানে পৌঁছে যান। এদিন প্রথম থেকেই মারমুখী মেজাজে পাওয়া যায় অভিষেককে। গোটা বিশ্বকাপে অফ স্পিনারের বলে আউট হন ভারতীয় ওপেনার। এদিন গ্লেন ফিলিপসের ওভারে সতর্কতা অবলম্বন করেন। বাকি সময়টা সমস্যায় পড়তে হয়নি। আহমেদাবাদ ফিরে পায় পুরোনো অভিষেককে।
