আজকাল ওয়েবডেস্ক: টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের ভারত ম্যাচ বয়কট করা নিয়ে এখনও চর্চা চলছে। ক্রিকেটের সবচেয়ে হাইপ্রোফাইল ম্যাচ আয়োজনের আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে আইসিসি। গোটা বিষয়টি নিয়ে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থাকে কটাক্ষ করেছিলেন নাসের হোসেন। আইসিসির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এবার তাঁকে পাল্টা দিলেন সুনীল গাভাসকর। ঘুরিয়ে ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ককে একহাত নেন। সানি বলেন, 'এমন অনেকে আছে যাদের আগে ক্ষমতা ছিল। কিন্তু বর্তমানে বিশ্বক্রিকেটে তাঁদের ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। সেটা তাঁরা ভালভাবে নিতে পারেনি। ভারত এই জায়গায় থাকলে আইসিসি কী করত সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। গতবছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে পাকিস্তানে যায়নি ভারত। তাই নিরপেক্ষ ভেন্যুতে ম্যাচ রাখা হয়। তবে ড্রয়ের অনেক আগে সেটা জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখন ভেন্যুও নির্ধারিত হয়নি। সবাই জানত ভারত সরকার কখনও ক্রিকেটারদের পাকিস্তানে গিয়ে খেলার অনুমতি দেবে না।
২০০৩ বিশ্বকাপের উদাহরণ দেন গাভাসকর। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবের জমানায় জিম্বাবোয়ে যেতে চায়নি ইংল্যান্ড। সানি বলেন, '২০০৩ বিশ্বকাপ খেলতে জিম্বাবোয়ে যেতে চায়নি ইংল্যান্ড। কারণ ওদের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবেকে পছন্দ ছিল না। যুক্তিহীন। নিরাপত্তা নিয়ে কোনও সমস্যা ছিল না। তাও ওরা না গিয়ে পয়েন্ট হাতছাড়া করে। আইসিসি কিছু করতে পেরেছিল? কারণ সেই সময় আইসিসিতে ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া বোর্ডের আধিপত্য ছিল। তাঁদের হতাশ করতে চায়নি।' সম্প্রতি শেষ হওয়া অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে বৈভব সূর্যবংশীর দাপুটে ফর্মের প্রসঙ্গ তুলেও ইংল্যান্ডে কটাক্ষ করেন কিংবদন্তি।
প্রসঙ্গত, আগে নাসের হোসেন বলেন, 'যদি বিশ্বকাপের একমাস আগে ভারত বলত, আমাদের সরকার চায় না এই দেশে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলি, আইসিসি কি নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকত? বলতে পারত, তোমরা নিয়ম জানো, আমরা তোমাদের বাদ দিচ্ছি? বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত, সবার সঙ্গে একই ব্যবহার হওয়া উচিত। ভারতীয় ফ্যানরা বলতে পারে, আরও কাঁদো, আমাদের কাছে টাকা আছে। তবে ক্ষমতার সঙ্গে দায়িত্ববোধ বাড়ে।' ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়কের এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন গাভাসকর।
