কুখ্যাত অর্থলগ্নিকারী ও দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টাইন সংক্রান্ত সদ্য প্রকাশিত মার্কিন বিচার দপ্তরের নথি দেখে আঁতকে উঠছে গোটা বিশ্ব। প্রায় ৩৫ লক্ষ পাতায় এপিস্টনের সম্পর্কিত শিউরে ওঠা তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে রয়েছে ১ লক্ষ ৮০ হাজার ছবি এবং ২ হাজার ভিডিও শুক্রবার প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত নথিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম এসেছে বহু বার।
2
8
তালিকায় আর কার কার নাম রয়েছে, এই মুহূর্তে যেমন চর্চা তা নিয়ে, তেমন চর্চায় এপিস্টনের দ্বীপে কী কী শিউরে ওঠা ঘটনা ঘটেছে দিনের পর দিন, তা নিয়েও। একাধিক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এপিস্টনের ওই প্রমোদ দ্বীপে যা চলত, তা জেনে শিউরে উঠছেন সাধারণ মানুষ।
3
8
অন্যদিকে উঠে এসেছে আরও একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস সূত্রে খবর, এপিস্টনের একটি উচ্চাকাঙ্খা ছিল। সূত্রের খবর, তাঁর পরিকল্পনা ছিল, ওই দ্বীপে মহিলাদের নিয়ে গিয়ে, গর্ভবতী করা এবং তার মাধ্যমেই নিজের ডিএনএ ছড়িয়ে দেওয়া।
4
8
তিনি বেবি র্যাঞ্চ বা শিশু খামার তৈরি করতে চেয়েছিলেন, উল্লেখ করা হয়েছে তেমনটাই। নিউ ইয়র্ক টাইমস ২০১৯ সালে এপিস্টনের এই ভাবনার কথা প্রকাশ্যে এনেছিল বলে জানা যায়।
5
8
কেবল দ্বীপে নয়, মেক্সিকোর খামারেও তিনি এই কাজ করতেন বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে, সূত্রের খবর তেমনটাই। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এপিস্টন ঘনিষ্ঠরা প্রায় সকলেই তাঁর এই উচ্চাকাঙ্খার বিষয়টি জানতেন।
6
8
এর মাঝেই রহস্য এপিস্টনের জীবন নিয়েও। সম্প্রতি এপিস্টন ফাইল থেকে জানা গিয়েছে, কারাগারে যেদিন মৃত্যু হয়েছিল এপিস্টনের, ঠিক তার আগের দিনেই তাঁর মৃত্যুদণ্ডের সাজা ঘোষণা হয়েছিল। মার্কিন বিচার বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত এপিস্টন-সম্পর্কিত রেকর্ডের মধ্যেই এই তথ্যের উল্লেখ রয়েছে, সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে তথ্য তেমনটাই।
7
8
জানা গিয়েছে, অন্তত ২৩টি নথিতে নিউ ইয়র্কের দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা মার্কিন অ্যাটর্নি অফিসের বিবৃতি হিসেবে লেবেল করা হয়েছে। একটি সংস্করণে ৯ আগস্ট, ২০১৯ তারিখ লেখা রয়েছে বলে তথ্য। উল্লেখ্য, ঠিক তার পরের দিন, ১০ আগস্ট সকালে ম্যানহাটনের মেট্রোপলিটন কারেকশনাল সেন্টারে এপিস্টনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
8
8
তথ্য, জেফ্রি এপিস্টকে কারাগারে একটি কমলা রঙের ফাঁস দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল বলে উল্লিখিত রয়েছে, তথ্য তেমনটাই। সেখানে উল্লিখিত, মনে করা হচ্ছে, জামা এবং চাদর দিয়েই ওই ফাঁস তৈরি করা হয়েছিল।