আজকাল ওয়েবডেস্ক: আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ভারতকে নিয়ে যথেষ্ট সতর্ক নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার।
বিশেষ করে পিচের ধরন এবং ভারতের শক্তিশালী বোলিং আক্রমণ নিয়ে আগেভাগে স্পষ্ট ধারণা সেরে রাখছেন তিনি। ফাইনালের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে স্যান্টনার বলেন, ফাইনাল ঘিরে তাঁর দল অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত।
একই সঙ্গে তিনি মনে করেন, ঘরের মাঠে খেলার কারণে শিরোপা ধরে রাখার জন্য ভারতের উপর প্রচণ্ড চাপ থাকবে। ফুল হাউস গ্যালারির সামনে ভারত খেলতে নামবে, সেটাও বড় ফ্যাক্টর।
২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স যেভাবে বলেছিলেন, সেভাবেই স্যান্টনারও বলেন, আমাদের লক্ষ্য থাকবে গ্যালারিকে চুপ করানো। অবশ্য ক্রিকেটে অনেক রকম চ্যালেঞ্জ থাকে।
তবে ঘরের মাঠে খেলায় ভারতের উপর চাপটা অবশ্যই বেশি থাকবে। আহমেদাবাদের পিচ প্রসঙ্গে স্যান্টনার জানান, এখনও পর্যন্ত তিনি উইকেট সামনে থেকে দেখেননি।
ঢাকা অবস্থায় থাকলেও কিউই অধিনায়কের ধারণা, ম্যাচে ব্যাটিং সহায়ক পিচই পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, ‘আমি এখনও উইকেট দেখিনি, কারণ সেটা ঢাকা রয়েছে। তবে ধরে নেওয়া যায় পিচটা বেশ ফ্ল্যাট হবে এবং হাই-স্কোরিং ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।’
ভারতের পেস আক্রমণের অন্যতম ভরসা জসপ্রীত বুমরাকে নিয়েও প্রশংসা করেন স্যান্টনার। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে বুমরার বিধ্বংসী স্পেল ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
স্যান্টনার বলেন, বুমরাকে নিয়ে এখন সবারই আলোচনা হওয়া উচিত। সে যেভাবে বোলিং করছে, তা অসাধারণ। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওকে খেলাই কঠিন হয়ে পড়েছিল এবং সেদিন ও-ই ম্যাচের গেমচেঞ্জার ছিল।
তবে তিনি এটাও স্পষ্ট করে দেন যে ভারতের শক্তি শুধুমাত্র বুমরার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। গোটা ভারতীয় দলটাই এই টুর্নামেন্টে বিভিন্ন সময়ে নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছে।
তিনি বলেন, ‘বুমরা অবশ্যই বিশ্বমানের বোলার। কিন্তু শুধু ও একা নয়, ভারতের দলে অনেকেই রয়েছে যারা ব্যাট বা বল—দু’দিকেই সময়মতো পারফর্ম করছে। একটা দলের জন্য এটাই সবচেয়ে ভাল জায়গা।’
গত এক দশকে একাধিকবার বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠেও এখনও পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি বা ওয়ানডে কোনও ফরম্যাটেই ট্রফি জিততে পারেনি নিউজিল্যান্ড।
এবার সেই অপেক্ষার অবসান ঘটানোর লক্ষ্য নিয়েই ফাইনালে নামছে ব্ল্যাক ক্যাপস। তবে তাদের সামনে রয়েছে এমন এক ভারতীয় দল যাঁরা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন।
