আজকাল ওয়েবডেস্ক: আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ড সফর এবং ২০২৬ এশিয়ান গেমসের জন্য ভারতের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা হওয়ার পর নির্বাচক কমিটির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুললেন প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার সদগোপন রমেশ। বিশেষ করে চোট সারিয়ে সদ্য দলে ফেরা পেসার হর্ষিত রানার নির্বাচন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।
রমেশের মতে, হাঁটুর অস্ত্রোপচারের পর এখনও পর্যন্ত কোনও ঘরোয়া ক্রিকেট না খেলেই হর্ষিতকে সরাসরি জাতীয় দলে সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা অন্য ক্রিকেটারদের কাছে ভুল বার্তা পৌঁছে দিতে পারে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ঠিক আগে হাঁটুর চোটে অস্ত্রোপচার করাতে হয়েছিল হর্ষিতকে। সেই কারণে তিনি বিশ্বকাপের পাশাপাশি আইপিএল ২০২৬-এও খেলতে পারেননি।
নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে রমেশ বলেন,''হর্ষিত রানাকে কীভাবে নির্বাচিত করা হল? অস্ত্রোপচারের পর কোনও ঘরোয়া ম্যাচ খেলেছে বলে আমার জানা নেই। এই প্রশ্নের উত্তর কেউ জানে না। এখন একবার ভাবুন, মহম্মদ সামি কিংবা অন্যদের মনে কী চলছে।”
তিনি আরও দাবি করেন, অতীতে নির্বাচকরা চোট কাটিয়ে ফেরা ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজেদের ফিটনেস প্রমাণ করার শর্ত দিয়েছিলেন। সেই নিয়ম হর্ষিতের ক্ষেত্রে মানা হয়নি।
রমেশ বলেন, “বিরাট কোহলি হোক বা রোহিত শর্মা জাতীয় দলে ফেরার আগে তাঁদেরও ঘরোয়া ক্রিকেট খেলতে বলা হয়েছিল। হার্দিক পাণ্ডিয়া চোট পাওয়ার পর ফিটনেস প্রমাণ করতে হয়েছিল। সামির ক্ষেত্রেও প্রশ্ন উঠেছিল দীর্ঘ স্পেল বল করতে পারবে কি না, তাই তাকেও নিজেকে প্রমাণ করতে হয়েছিল।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে বর্তমান টি- টোয়েন্টি অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ারকেও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজে নির্বাচনের আগে বিজয় হাজারে ট্রফিতে খেলে ফিটনেস প্রমাণ করতে বলা হয়েছিল।
রমেশের বক্তব্য, ''নির্বাচকরা এতদিন যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তাতে চোট থেকে ফিরে আসা কোনও ক্রিকেটারকে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার আগে ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজের ফিটনেস প্রমাণ করতে হতো। হর্ষিতের ক্ষেত্রে সেই নীতি অনুসরণ করা হয়নি।''
উল্লেখ্য, হর্ষিত রানাকে ভবিষ্যতের অলরাউন্ড বিকল্প হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে ভারতীয় দলের। পেস বোলিংয়ের পাশাপাশি নীচের দিকে ব্যাট হাতে বড় শট খেলার ক্ষমতার জন্য তাঁকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে তাঁর নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে ইতিমধ্যেই ক্রিকেটমহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে।















